আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেন?‌ কেন এত নাটক করলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ?‌ সেই তো ঢোঁক গিলে ইস্তফা দিতে হল তাঁকে। আস্থা ভোটের আগেই দম ফুরিয়ে গেল মহারাষ্ট্র বিজেপির। লেজ গুটিয়ে পালিয়ে গেল গেরুয়া শিবিরের বীর পুঙ্গবরা। এত ঢক্কা নিনাদ, অমিত শাহর চাণক্যনীতি, সব জলে গেল। ঢাউস বেলুনের হাওয়া খুলে দিলে সেই বেলুন যেমন চুপসে হয়ে যায়, বিজেপির হাল হল তেমন। মহারাষ্ট্র কালি মাখিয়ে ছাড়ল ‘‌নাগপুর বয়েজ’‌–এর শ্রীমুখে। আদালত বলেছিল, বুধবার আস্থা ভোট করতে হবে। ফড়নবিশ বুঝেছিলেন, আর হবে না। তাই পদ ছেড়ে দেন তিনি। আর অজিতও দেখলেন, কেস থেকে মুক্তি পাওয়া গিয়েছে, এবার ঘরের ছেলে ঘরে ফেরাই ভাল। তাই কাকা শারদ একবার ডাকতেই লক্ষ্মী ছেলের মতো পাওয়ার পরিবারে ফিরলেন ভাইপো অজিত। মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মঙ্গলবার দুপুরেই ইস্তফা দিলেন তিনি। শনিবারই তিনি ওই পদে শপথ নেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দায়িত্বভার গ্রহণ করেননি। সকালে মুম্বইয়ে বিজেপি সরকার আয়োজিত ২৬/‌১১–র স্মরণসভাতেও যোগ দেননি। তাতেই অন্যরকম ইঙ্গিত পাচ্ছিলেন কূটনীতিকরা। এদিন সকালেই মহারাষ্ট্রে বুধবারই আস্থাভোট করানোর জন্য সুপ্রিম কোর্ট রায় দেওয়ার ঠিক পরই প্রিয় ভাইপোকে ফোন করেন শারদ নিজে। সূত্রের খবর, অজিতকে ফের তাঁর কাছে ফিরে আসতে অনুরোধও করেন ৭৯ বছরের বর্ষীয়ান নেতা। শারদ আরও বলেছেন, ‘‌বিজেপি ওকে বোকা বানিয়েছে। কিন্তু যদি দাদা (দলে এই নামেই পরিচিত ‌অজিত)‌ ফিরে আসেন, তাহলে ওঁর সব ভুল ক্ষমা করে দেব।’ আর কাকার ফোন পেয়েই সব মান–অভিমান ভুলে বাড়ি ফিরলেন তাঁর প্রিয় ভাইপো। ‌ ‌

জনপ্রিয়

Back To Top