আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌

‘‌পূর্বপরিকল্পিত.‌.‌.‌ মুখ বন্ধ করতে মিথ্যে মামলা দেওয়া হচ্ছে’‌, উমর খালিদ গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে সোচ্চার দেশ–বিদেশের লেখক, শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে ইতিহাসবিদ, চলচ্চিত্র পরিচালকেরা। দিল্লি দাঙ্গার মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে উমরকে চিহ্নিত করে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সম্প্রতি। এবার জেএনইউ ছাত্রসংসদের প্রাক্তন সদস্যের মুক্তির দাবিতে একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করলেন ২০০ জনের বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি। রয়েছেন ভাষাতত্ত্ববিদ নোওম চমস্কি, লেখক সালমান রুশদি, অমিতাভ ঘোষ, অরুন্ধুতি রয়, রামচন্দ্র গুহ, রাজমোহন গান্ধী, চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার, আনন্দ পটবর্ধণ, ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার, এবং ইরফান হাবিব, সমাজকর্মী মেধা পাটেকর, অরুণা রয়। 
চিঠিতে লেখা হচ্ছে, ‘‌মিথ্যে অভিযোগে প্রতিবাদীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা বহুদিন ধরেই চলছে। এমনকী এই সঙ্কটের সময়েও রাষ্ট্রদ্রোহ, খুনের ষড়যন্ত্র, বেআইনি কার্যকলাপের মিথ্যে মামলা উমর খালিদদের মতো তরুণ গবেষক–সমাজকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে সরকার। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার আন্দোলন। ভারতীয় সংবিধানের দেখানো পথেই আন্দোলন চালিয়েছেন উমর। গরিবি, ক্ষুধা, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চায় হয়েছেন। সবসময়ে প্রান্তিক মানুষের কথাই বলেছেন। সর্বত্র শান্তির বার্তাই শোনা গেছে তাঁর ভাষণে। সন্ত্রাস আইনে যে ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১৯ জন মুসলিম সম্প্রদায়ের। দিল্লির দাঙ্গার যে তদন্ত পুলিশ করছে, আর যাই হোক, তাকে তদন্ত বলা যায় না! পূর্বকল্পিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে তাঁদের। বিষাক্ত ভাষণ দিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা। গুলি মারতেও উস্কানি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের হয়নি এখনও।’‌ বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রের সেই বিতর্কিত ভাষণের প্রসঙ্গ তুলে চিঠিতে বলা হচ্ছে, ‘‌ওই ভাষণের পর থেকেই দিল্লিতে হিংসার ঘটনা শুরু হয়েছিল। এখনও তরুণ প্রতিবাদীদের নিশানা করে জেলে ঢোকানো হচ্ছে।’‌    

জনপ্রিয়

Back To Top