আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এসপি–বিএসসি তিক্ততা চরমে। প্রয়োজনে উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের ভোটে বিজেপি প্রার্থীকেও ভোট দিতে রাজি ‘‌বুয়া’‌। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার বহু জন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতী বলেন, ‘‌উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের সদস্য নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীকে হারানোই আমাদের লক্ষ্য। তার জন্য যদি বিজেপি প্রার্থী বা অন্য কোনও দলের প্রার্থীকেও ভোট দিতে হয়, আমরা তাই করব।’‌ 

আগামী ৯ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের ১০টি আসনে ভোট। বিধানসভায় পর্যাপ্ত বিধায়ক না থাকা সত্ত্বেও ওই ১০টি আসনের একটিতে প্রার্থী ঘোষণা করে দেন মায়াবতী। বিএসপি নেতাদের দাবি, অ–বিজেপি দলগুলির সমর্থন মিললেও মিলতে পারে!‌ এদিকে গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে দিয়েছেন ৪ বিএসপি বিধায়ক। তাঁদের দাবি, বিএসপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে তাঁদের যে সই রয়েছে, তা জাল সই। প্রয়োজনে তাঁরা দলও বদলে ফেলতে পারেন, এমন ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন বিদ্রোহী বিএসপি বিধায়করা। এদিকে বিধানসভায় পর্যাপ্ত বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও একটি আসনে প্রার্থী দিল না বিজেপি। তারপরই কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ, বিএসপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতেই আটটি আসনের লড়ছে বিজেপি। 

অখিলেশের ওপর ক্ষুব্ধ মায়াবতী এদিন বলেন, ‘‌লোকসভা নির্বাচনে হাত মেলানো উচিত হয়নি। রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ছিলাম। তাঁদের পারিবারিক ইতিহাসের জন্যই এই জোট থেকে তাঁরা বিশেষ লাভবান হয়নি। আর সেই কারণেই ভোটের পর থেকে যোগাযোগ সব বন্ধ করে দেয়। শেষমেশ আমরাও সরে দাঁড়াই। লোকসভা নির্বাচনের পর সমাজবাদী পার্টির আচরণ দেখে আমার মনেই হচ্ছিল, ১৯৯৫ সালের গেস্টহাউস মামলা তুলে নিয়ে ভুল করেছি। জোট গড়ার পর প্রথম দিন থেকেই জান–প্রাণ দিয়ে কাজ করেছি। ওদিকে অখিলেশ যাদব অভিজ্ঞ বিএনপি নেতা এসসি মিশ্র–কে বারবার বলতেন, আমি যাতে ওই মামলা তুলে নি।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top