আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লোকসভা নির্বাচনের এখনও বাকি শেষ দফা। তারপরও ২৩ মে ফলাফল। এই পরিস্থিতির মাঝে বিজেপিকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন পাটনা সাহিব কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। কারণ তিনি দাবি করেছেন, সঠিক দিশা এবং উন্নত দিশায় যাবার সময় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তথা বিজেপি’‌র লৌহপুরুষ লালকৃষ্ণ আদবানির আশীর্বাদ পেয়েছিলেন। আর এই দাবির সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় রাজনীতির অলিন্দ এখন তোলপাড়। তাহলে কী আদবানিই শত্রুঘ্নকে কংগ্রেসে চলে যেতে বলেছিলেন?‌ নাকি রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন?‌ এখন এই প্রশ্নগুলি উঠছে, কারণ এবার গান্ধীনগর থেকে তাঁকে টিকিট না দিয়ে তা দেওয়া হয়েছে অমিত শাহকে। 
গত ২০ বছর ধরে বিজেপি’‌র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ শত্রুঘ্ন সিনহা। ২০১৯ সালেই দলের সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ করে দিয়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বিহারীবাবু। এবার শেষ দফার আগে ঠিক কী বলেছেন তিনি?‌ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, ‘‌যখন আমি নতুন দিশায় এবং উন্নত দিশায় আসছিলাম তখন আমি আদবানিজির আশীর্বাদ নিয়েছিলাম। তাঁর চোখে প্রায় জল চলে এসেছিল, কিন্তু উনি আমাকে আটকাননি যেও না বলে। বরং উনি বলেছিলেন, আচ্ছা। ভালবাসা রইল তোমার জন্য।’‌ 
লালকৃষ্ণ আদবানি কেন এই কথা বলেছিলেন তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। তবে এটাও ঠিক দলে থেকে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে বিরাগভাজন হয়েছিলেন শত্রুঘ্ন। তবে তাঁর আক্রমণের বিষয় হয়তো সঠিক ছিল। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‌আমি কখনও আমার ধনুক নামিয়ে রাখব না। আদবানিজির মতো। যে আমাকে বসতে বললে বসব।’‌ বুধবার একদিকে তিনি মোদির সরাসরি সমালোচনা করেন। অন্যদিকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘‌যখনই প্রধানমন্ত্রীকে কর্মসংস্থানের কথা জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি সবসময় পুলওয়ামা প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। কেন তিনি এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না?‌ মানুষ তা জানতে চায়। সেখানে মমতা ব্যানার্জি আমাদের বন্ধু এবং সেই লৌহ মানবী ঠিকই বলেছেন, এক্সপায়ারি সময় হয়ে গিয়েছে।’‌ 

আদবানির সঙ্গে শত্রুঘ্ন। ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

জনপ্রিয়

Back To Top