১৫ হাজার লিটার দুধ ও ১০ হাজার কেজি সব্জি নষ্ট হল দিল্লি পুলিশের অত্যাচারে

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আবারও অযাচিতভাবে দিল্লি পুলিশের লাঠিচার্জ চলল রাজধানীর বুকে। উল্টে গেল সব্জি–দুধ সহ প্রয়োজনীয় খাবার জিনিস। ফেলে দিতে হল বোঝাই করা খাবার। আঙুল উঠল দিল্লি পুলিশের দিকে।
২১ দিনের লকডাউন শুরু। প্রথমদিনেই দেশজুড়ে জোরকদমে রাস্তায় নেমেছে পুলিশবাহিনী। জরুরি পরিষেবা ছাড়া রাস্তায় বেরলেই পিঠে পুলিশের মার পড়ছে। কিন্তু কেন্দ্রশাসিত দিল্লি পুলিশের অন্যায় অত্যাচারের ছবি তো দেশ আগেও দেখেছে। এবারও বিচার না করে লাঠিচার্জ করার ফলে দুর্দিনে ফেলা গেল ১৫ হাজার লিটার দুধ ও ১০ হাজার কেজি সব্জি। ‘‌বিগ বাস্কেট’‌, ‘‌ফ্রেশমেনু’‌, ‘‌পোর্টি মেডিক্যাল’‌ প্রভৃতি অনলাইন ওষুধ, খাবার ও খাদ্যসামগ্রী ডেলিভার করার সংস্থাগুলোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কে গণেশ। তিনি জানালেন, ‘গত দু’‌দিন ধরে যেখানে সেখানে পুলিশ লাঠিচার্জ করছে। দেখছে না কে জরুরি পরিষেবায় নিযুক্ত, কে না। একজনকে তো আটকও করে নিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের লকডাউন করার পদক্ষেপকে আমি সম্পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু সব জায়গাতেই পুলিশকে একটু মেপে চলতে হবে। নাহলে এভাবে নষ্ট হবে খাবার জিনিস‌’। নিত্য দ্রব্য সরবরাহকারী অনলাইন মার্কেট ‘‌গ্রোফার্স’‌‌– এর তরফেও একই কথা শোনা গেল। টুইট করে জানাল, ‘‌যাঁরা এইসময়ে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই কাজটি করছেন, তঁাদের ওপর এই অযাচিত অত্যাচার চলছে। তাহলে কাদের জন্য বিকেল পাঁচটায় হাততালি দিলাম আমরা?‌’ একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী সমাধানের কথা বললেন। ই–পাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে সবাইকে। সেটা দেখালেই ছাড় পাওয়া যাবে। দিল্লি পুলিশের পিআর আধিকারিক এমএস রান্ধাওয়া জানিয়েছেন, যে পুলিশকর্মীরা ডেলিভারি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। নয়ডা ও গুরুগ্রাম পুলিশ টুইট করে জানিয়েছে, তারা ডেলিভারি কর্মীদের যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করবে না।   ‌