‌আজকালের প্রতিবেদন: সানস্ক্রিন লোশন মাখার ফলে ঘাটতি হচ্ছে ভিটামিন ডি–এর। ক্রমাগত কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, শরীরচর্চা না করা, জাঙ্কফুড খাওয়া, রোদ না লাগার ফলে বাড়ছে হাঁটু, কোমর, অস্থিসন্ধির যন্ত্রণা। শহরাঞ্চলে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়ছে অস্টিওপোরোসিস। আধুনিক জীবন যাপনে অস্টিওপোরোসিস মহামারীর মতো শুরু হয়েছে বলে জানান অর্থোপেডিক চিকিৎসকরা। ন্যাশনাল বোন অ্যান্ড জয়েন্ট ডে উপলক্ষে বৃহস্পতিবার অস্টিওপোরোসিস নিয়ে একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করে ওয়েস্ট বেঙ্গল অর্থোপেডিক অ্যাসোসিয়েশন এবং ইস্ট কোলকাতা অর্থোপেডিক ক্লাব। যৌথভাবে বক্সি অর্থোপেডিক ট্রমা অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে বিনামূল্যে বোন মিনারেল ডেনসিটি টেস্ট, ভিটামিন ডিথ্রি পরীক্ষা, বডি মাস ইনডেক্স দেখা, ওষুধ দেওয়া এবং রোগীদের পরামর্শ দেন অস্থিবিশেষজ্ঞরা। 
বক্সি অর্থোপেডিক সেন্টারের অধিকর্তা ডাঃ দেবদ্যুতি বক্সি বলেন, ‘‌এখন ৯০ শতাংশ মানুষ ভিটামিন ডি–এর ঘাটতিতে ভুগছেন। হাড়ের মধ্যে ঝাঁঝরা হওয়ায় এখন বেশিরভাগ মানুষের অস্থির কার্যক্ষমতা কমে যাচ্ছে। হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম ধরে রাখার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে ভিটামিন ডি। এটি না থাকলে ক্যালসিয়াম হাড়ে ঢুকলেও মল–‌মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।’‌ ইস্ট কোলকাতা অর্থোপেডিক ক্লাবের সেক্রেটারি ডাঃ দেবাশিস দত্ত বলেন, ‘‌অতিরিক্ত জাঙ্কফুড খাওয়ার ফলে এখন বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে পড়ুয়াদের মধ্যে জুভেনাইল অস্টিওপোরোসিস দেখা দিচ্ছে। সানস্ক্রিন লোশন মাখলে শরীরে সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি না পৌঁছনোয় অধিকাংশ মহিলাই ভিটামিন ডি ঘাটতিতে ভুগছেন। পর্যাপ্ত পরিমাণে রোদ লাগাতে হবে। খেতে হবে ভিটামিন ডি সরবরাহকারী ওষুধ।’‌ অনুষ্ঠানে ছিলেন অধ্যাপক টি কে মৈত্র, ডি পি বক্সি, এ কে পাল প্রমুখ।  
 

জনপ্রিয়

Back To Top