আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দিনের বেলায় কন্ডোমের বিজ্ঞাপন নিয়ে রাস টেনেছে মোদি সরকারের সম্প্রচারক মন্ত্রক। মন্ত্রকের কর্তাব্যাক্তি থেকে কেন্দ্রের শাসক দলের নেতাদের দাবি, কন্ডোমের অশ্লীল বিজ্ঞাপনের জন্য দেশের সংস্কৃতি নষ্ট হবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। কেন্দ্রীয় সরকার এর বিধান দিয়েছে। দেশে অপসংস্কৃতি রুখতে সকাল ৬ থেকে রাত ১০ পর্যন্ত দেশের কোন সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে কন্ডোমের বিজ্ঞাপন সম্প্রচার করা যাবে না। দিল্লির এই সিদ্ধান্ত অনেকে সাধুবাদ দিলেও একটি বেসরকারি সংস্থার করা সমীক্ষা ঝামা ঘষে দেবে সংস্কারপন্থীদের মুখে।   
দ্যাটস পার্সনাল ডট কম -এর সমীক্ষা অনুযায়ী দেখা গেছে ভারতীয় নাগরিকরা নাকি সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সেক্স প্রোডাক্ট-এর বিজ্ঞাপনের প্রতি আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু ওই সংস্থার করা সমীক্ষা বলছে, বিজ্ঞাপনের বদলে দেশের মানুষ অনলাইনে যৌন উত্তেজক বিষয়ক পণ্যের তথ্য জানতে বেশি তৎপর। দ্যাটস পার্সনাল ডট কম -এর সমীক্ষায় দাবি, মহিলারা রাত ১০টা থেকে ১টা- এই তিন ঘণ্টা সময়কে সেক্স প্রোডাক্টের তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এই সমীক্ষা আরও বলছে, সেক্স প্রোডাক্ট -নিয়ে দরাদরি এড়াতে ভারতীয়রা অনলাইন শপিং পন্থা বেছে নেন। বিশ্বের সেক্স অ্যাক্টিভ দেশগুলির মধ্যে অন্যতম ভারত। 
সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতের মধ্যে সবথেকে বেশি সেক্স অ্যাক্টিভ রাজ্য হল মহারাষ্ট্র। দ্বিতীয় স্থানে আছে কর্নাটক। এই তালিকায় তিনে আছে পশ্চিমবঙ্গ। যদিও সমীক্ষা দেখা গেছে নবরাত্রির সময় গুজরাট-এ সেক্স প্রোডাক্ট-এর চাহিদা ছিল তুঙ্গে। উল্লেখ্য, সেক্স প্রোডাক্টের বিক্রি সর্বাধিক হয় ভ্যালেনটাইন ডে-তে। মহানগরের হিসেবে, এই ক্ষেত্রে দেশে মুম্বই সবার ওপরে। তারপরই রয়েছে দিল্লি। এরপর ব্যাঙ্গলোর এবং চেন্নাইয়ের পর পঞ্চম স্থানে রয়েছে কলকাতা। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের পরেও এই ব্যবসার রমরমা থেকে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, ‘‌শাক দিয়ে কি মাছ ঢাকা যায়’‌।  
 

জনপ্রিয়

Back To Top