আজকালের প্রতিবেদন: মাছ, মাংসের একেবারে অঢেল আয়োজন। অথচ দাম একেবারেই নাগালের মধ্যে। দোল উৎসব উপলক্ষে নলবনে যার আয়োজন করেছে রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগম (‌এসএফডিসি)‌। তাদের ‘‌ভূরিভোজ’‌ এবং ‘‌অল ফিশ’‌ রেস্তোরাঁতে। ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ভোজনরসিকদের জন্য এই ক’‌টা দিন নানা দামে নানারকম ‘‌থালি’‌র আয়োজন করলেও, দোলের দিন সমস্ত থালিতে যোগ করা হয়েছে ঠান্ডা শরবত–সহ বিশেষ কয়েকটি খাবারের। চালু হওয়ার পর থেকেই ভিড় জমিয়েছেন নানা বয়সের নারী ও পুরুষ। যাঁরা রং খেলতে পছন্দ করেন, তঁাদের কথা ভেবে নলবনে দোলের দিন স্নানের বন্দোবস্তও করেছে এসএফডিসি। অন্যদিন দু’‌বেলা রেস্তোরাঁ চালু থাকলেও, দোলের দিন বিকেল ৩টে থেকে চালু হবে।
বিষয়টি নিয়ে এসএফডিসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুব্রত মুখার্জি বলেন, ‘দোল উৎসবকে মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ। ভেটকি, চিংড়ি, রুই বা কাতলা, সব মাছই আমাদের নিজস্ব জলাশয়ের। মাংস কেনা হয় রাজ্য সরকারের বিপণন–কেন্দ্র থেকে। সমস্ত জিনিসই টাটকা। জলাশয়ের পাশে এই রেস্তোরাঁ। উপরি পাওনা সেখানকার টাটকা বাতাস।’‌ 
৯ মার্চ দোলের দিনে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ ৬টি থালি। এর মধ্যে সবচেয়ে দামি থালি ‘‌দোলযাত্রা স্পেশাল থালি’‌র মূল্য ৬০০ টাকা, সঙ্গে ৫ শতাংশ জিএসটি। যদিও সমস্ত থালির সঙ্গেই দিতে হবে জিএসটি। এই থালিটিতে থাকছে হোলি স্পেশাল ঠান্ডাই শরবত, ভাত, মাছের মাথা দিয়ে ডাল, আলু ভাজা, এক টুকরো পটলের দোলমা, এক টুকরো সর্ষে বাটা দিয়ে ইলিশ মাছ, একটি গলদা চিংড়ির মালাইকারি, দু’‌টুকরো পাঁঠার মাংস, চাটনি, পাপড় এবং একটি মালাই চমচম। অন্যান্য থালির সঙ্গে যোগ হয়েছে বিরিয়ানি বা অমৃতি এবং রসমালাইয়ের মতো মিষ্টি। সঙ্গে মাছের নানারকম পদ। থালির কোনও পদ যদি অতিরিক্ত নিতে হয়, তবে তার জন্য অতিরিক্ত মূল্য দিতে হবে।
ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন, ১ মার্চ এই থালিগুলি দিয়েই এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top