আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নভেম্বর শেষ হতে চলল শীতের দেখা নেই। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডার দেখা নেই। কখনও শিরশিরে ঠাণ্ডা, কখনও গরম এই নিয়েই চলে গেল গোটা নভেম্বর মাস। সোয়েটার পরলে গরম লাগছে আবার সোয়েটার গায়ে না দিলে ঠাণ্ডা লাগছে। অদ্ভুত এক দো–রোখা আবহাওয়া। আর এর জেরে সর্দি–কাশি–জ্বরের প্রকোপ রমরমিয়ে বেড়েই চলেছে। কীভাবে কাবু করবেন এই মরশুমি রোগকে?‌ পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে যাঁদের বাড়িতে শিশুরা রয়েছেন তাঁদের তো আরও সাবধানী হতে হবে। 
চিকিৎসকরা বলছেন, শহর কলকাতার এই আবহাওয়ার সঙ্গে নিজের শরীরকে ভাল রাখতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। ঠান্ডা লাগছে না বলে গরম পোশাক গায়ে না চড়িয়েই বাড়ির বাইরে বেরোবেন না।

সঙ্গে রাখুন হাল্কা গরম পোশাক। হাল্কা গরম চাদর। শিশুদের মোটা জামাকাপড় পরাবেন না। হাল্কা গরম জামা পরান। খুব প্রয়োজন না হলে ফুলহাতা সোয়েটার পরাবেন না। তাঁদের নিয়ে বাইরে বের হলে বিশেষ করে সন্ধের পর কান এবং মাথা যেন ঢাকা থাকে। খেলাল রাখবেন ঘাম যেন না হয়। কারণ অধিকাংশ সময় বাবা–মায়েরা ঠাণ্ডা লাগার ভয়ে গরম পোশাক পরিয়ে বাইরে বের করেন। সেটা আরও ক্ষতিকর। কারণ ভেতরে ভেতরে ঘাম বসে আরও ঠাণ্ডা লেগে যায়। বড়দের ক্ষেত্রেও কিন্তু একই নিয়ম প্রযোজ্য। গরম লাগছে বলে গরম পোশাক গায়ে না দিয়ে ঘুরে বেড়াবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হবে। আবার মোটা সোয়েটার চাপিয়েও বেরোবেন না। হাল্কা চাদর গায়ে রাখুন। ঠাণ্ডা খাবেন না। আর জল বেশি করে খান।  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top