আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্মার্ট হচ্ছে সমাজ। প্রায় প্রত্যেকের হাতে একটি করে স্মার্টফোন। আর তাই পরের দিনের সংবাদপত্রের জন্য অপেক্ষা নয়, কোথাও কোনও ঘটনা ঘটলে মুহূর্তে তা চলে আসে ফোনে। সৌজন্যে ডিজিটাল মিডিয়া। অফিস–কলেজে যাতায়াত কিংবা ঘরে বসেই মুহূর্তের মধ্যে জানতে পারা যায় গোটা বিশ্বের হালহকিকত। আর এসবের কারণেই কোথাও যেন হারিয়ে যাচ্ছিল সংবাদপত্র পড়ার অভ্যেস। কিন্তু দেশজুড়ে চলা লকডাউনে সাধারণ মানুষের সেই অভ্যেসই যেন ফের ফিরে এসেছে। স্মার্টফোনে খবরের ওয়েবসাইট ঘেঁটে নয়, সংবাদপত্র পড়ার দিকেও ঝোঁক বেড়েছে সাধারণ মানুষের। এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।
কোভিড–১৯ মোকাবিলায় গোটা দেশেই চলছে লকডাউন। বলতে গেলে একেবারে স্তব্ধ জনজীবন। স্কুল–কলেজ–অফিস–আদালত বন্ধ। গৃহবন্দি মানুষ। আর এই সময়েই ফের একবার পেপার পড়ার দিকে ঝোঁক বাড়ছে। বিশেষ করে সত্য খবর পেতে ডিজিটাল মিডিয়া নয়, মানুষ পড়ছে সংবাদপত্র। অ্যাভান্স ফিল্ড অ্যান্ড ব্র‌্যান্ড সলিউশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থার করা ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, আগের তুলনায় সংবাদপত্র পড়ার জন্য গড়ে অতিরিক্ত ২২ মিনিট খরচ করছে আমজনতা। লকডাইন পূর্ববর্তী সময়ে যা ছিল ৩৮ মিনিট, এখন সেই সময়টাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক ঘণ্টায়। যেখানে আগে এক ঘণ্টার বেশি সময় সংবাদপত্র পড়ার অভ্যেস ছিল কেবল ১৬ শতাংশ মানুষের। এখন সেই অভ্যেস দেখা দিয়েছে ৪০ শতাংশ পাঠকের মধ্যেই। এছাড়া যাঁরা আগে ১৫ বা ৩০ মিনিটের জন্য সংবাদপত্রে চোখ বোলাতেন, বেড়েছে তাঁদের সংখ্যাও। আর সেটা এক বা দুই শতাংশ নয়, অনেকটাই। 
ওই সমীক্ষার মতে, লকডাউনের কারণ গৃহবন্দি মানুষ। হাতে সময় বেশি। তাছাড়া বর্তমান সময়ে ভুয়ো খবর বা গুজবের সংখ্যা এতটাই বেড়ে গিয়েছে, যে কোনটা ঠিক বা কোনটা ভুল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বোঝার উপায় থাকছে না। আর তাই ফের একবার পাঠক এবং সংবাদপত্রের সম্পর্কও আগের মতো হচ্ছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top