আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রাত পোহালেই মহা শিবরাত্রি। শিব ভক্তদের কাছে মহাদেবের পুজোর আদর্শ দিন। সঙ্গে রয়েছে আবার ভ্যালেন্টাইনস ডে। তবে বাঙালির কাছে সব কিছুর উর্ধ্বে বোধহয় দেবাদিদেব। আর তাই নিয়েই উত্তেজনা কয়েকগুণ বেশি। এই দিন ভাল বর পাওয়ায় আশায় কিংবা স্বামীর কল্যানে উপোস করে শিবলিঙ্গে জল ঢালেন মহিলারা। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় মহাদেবের পুজোও করা হয়। এর পাশাপাশি রয়েছে সিদ্ধি বা ভাং খাওয়ার রীতিও। শুনে ভ্রু কুঁচকে গেলেও এটাই সত্যি। শিবরাত্রির মহৎ তিথি। আর সেখানে ‘‌বাবা’–র প্রিয় প্রসাদ‌ ভাং খাওয়া হবে না!‌ তাই আবার হয় নাকি। তবে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা কিনা এটি খেতে পছন্দ করলেও বাড়িতে বানাতে পারেন না। ভরসা রাখতে হয় দোকান কিংবা কোনও এক বিশেষ বন্ধু–যে কিনা এসবে পারদর্শী তার উপরেই। তবে এই প্রতিবেদনে আপনার জন্য রইল ভাং বানানোর এমন একটি পদ্ধতি, যা আপনি শিবরাত্রির দিন চেষ্টা করেই দেখতে পারেন। 

নাম:‌ ভাং লস্যি

উপকরণ:‌ ১.‌ ক্যানাবিস বা ভাং, ১/‌২ আউন্স
২.‌ দু’‌কাপ গরম হোল মিল্ক 
৩.‌ চিনি ১/‌২ কাপ
৪.‌ নারকেলের দুধ, ১ টেবিলচামচ
‌৫.‌ এক টেবিলচামচ আমণ্ডের টুকরো
৬.‌ ১/‌৮ চা চামচ আদার গুঁড়ো
৭.‌ এক চিমটে গরম মশলা
৮.‌ লাল রঙের মিষ্টি সিরাপ ১/‌২ চা চামচ
৯.‌ ১ কাপ জল

পদ্ধতি:‌ একটি পাত্রে গরম জল করে নিন। সেই জলে ভাং মেশান। ৮ থেকে ১০ মিনিট ভাল করে নাড়িয়ে নিন। মিশ্রনটিকে নাড়ানোর পর সেখান থেকে ভাং ভাল করে ছেঁকে নিন।  এরপর তার সঙ্গে ভাল করে দুধ মিশিয়ে নিন। এরপর দুধটিকে ফের একবার ছেঁকে আলাদা পাত্রে রাখুন। এরপর পড়ে থাকা ভাং–এর সঙ্গে আমণ্ডের টুকরো এবং দুধ মিশিয়ে সেটিকে গ্রাইন্ড করুন বেশ কয়েকবার। এরপর পরে থাকা ভাং সরিয়ে ফেলুন মিশ্রন থেকে। তারপর তাতে আলাদা পাত্রে রাখা দুধ, নারকেলের দুধ, লাল রঙের মিষ্টি সিরাপ এবং গরম জল মেশান। মিশ্রনটিকে একটি কন্টেনারে রাখুন। এরপর চিনি, আদা এবং গরম মশলা যোগ করুন। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ভাল করে নাড়িয়ে নিলেই ভাং–লস্যি তৈরি হয়ে যাবে।

জনপ্রিয়

Back To Top