আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌কথায় আছে ‘‌পহলে দর্শনধারী ফির গুণবিচারী’‌। সুন্দর মুখের অধিকারী সকলেই হতে চায়। কিন্তু মাঝে মাঝেই মুখের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় শ্বেতী। ত্বকের এই সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কি ছেলে কি মেয়ে, এই সমস্যা অনেকেরই রয়েছে। বহু টাকা খরচ করেও এই শ্বেতীর হাত থেকে মুক্তি পাননি এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। তবে নতুন সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ওষুধের বিকল্প হিসাবে ‘‌সাপের তেল’‌ ব্যবহার করে প্রায় ১৪ জন ত্বকের এই মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এখন সাপের তেল কোথায় পাবেন বা কোথায় কিনবেন এত জটিল প্রশ্নে না গিয়ে হোমিওপ্যাথিতেও যে এই শ্বেতী নিরাময় হয় তা কি জানতেন?
শ্বেতীর চিকিৎসায় সাপের বিষ সহ ২৫টি চিকিৎসা রয়েছে। মডেল উইনি হারলো এবং প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী মাইকেল জ্যাকসন ‌এই শ্বেতী নিয়েই তাঁর ফ্যানেদের কাছে যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।

শ্বেতীর চিকিৎসায় ২০০ জনের মধ্যে একজনের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সম্প্রতি তা অসম্ভব। ‌যদিও ভারতীয় গবেষকদের গবেষণায় শ্বেতী রোগ মুক্তির অন্য এক দিক উঠে এসেছে।  
বেঙ্গালুরুর ক্লাসিক হোমিওপ্যাথির গবেষকদের দাবি, অন্য কোনও ওষুধ নয়, একমাত্র হোমিওপ্যাথিই শ্বেতী থেকে মুক্তি দিতে পারে। গোটা বিশ্বে ২০০ লক্ষ মানুষ শ্বেতীর জন্য হোমিওপ্যাথিকে বন্ধু বানাচ্ছেন। হোমিওপ্যাথি ওষুধের ফলে ১৩ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষের শ্বেতী সম্পূর্ণভাবে দূর হয়ে গিয়েছে। রোগিরা গত ৫৮ মাস ধরে হোমিওপ্যাথি ব্যবহার করার পর ত্বকের এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। দুবাইয়ে এই শ্বেতী নিরাময়ের অনেক ব্যয়বহুল চিকিৎসা রয়েছে। কিন্তু সেই চিকিৎসার পরও যে শ্বেতী থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া যাবে সেই নিশ্চয়তা নেই। হোমিওপ্যাথি ও ভেষজ চিকিৎসা এ দেশে গত ১০০ বছর ধরে শুধু শ্বেতীর ক্ষেত্রেই নয়, বিভিন্ন রোগ নিরাময়েই যথেষ্ট কার্যকর।   

‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top