Heat Wave: কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কতা, শরীরে কী কী ক্ষতি হতে পারে জানেন?‌

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বৈশাখের মাঝামাঝিও পেরোয়নি।

এর মধ্যেই তাপমাত্রার পারদ দক্ষিণবঙ্গে ঊর্ধ্বগামী। উষ্ণতা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, আজ ও মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ রকম আবহাওয়ায় কিন্তু শরীরেরও ক্ষতি হতে পারে। 
তাপপ্রবাহের ফলে শরীরে কী কী ক্ষতি হয়?‌
বাতাসের তাপমাত্রা বাড়লে শরীর ক্রমেই গরম হয়ে ওঠে। ফলে রক্তনালিগুলো খুলে যায়। তার জেরে রক্তচাপ কমে যায়। শরীরের চারদিকে রক্ত পৌঁছে দিতে হার্টকে অনেক বেশি খাটতে হয়। এর ফলে ফুলতে পারে পা। চুলকানি হতে পারে। তবে এই উপসর্গ খুব একটা মারাত্মক নয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, প্রচণ্ড গরমে এসবের পাশাপাশি শরীর থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় জল, নুন বেরিয়ে যায়। এর ফলে শরীরের অনেক বেশি ক্ষতি হতে পারে। সেই উপসর্গগুলো হল—
• ঘুমঘুমভাব
• বমি
• জ্ঞান হারিয়ে ফেলা
• পেশীতে ক্র‌্যাম্প
• মাথা যন্ত্রণা
• খুব ঘাম হওয়া
• ক্লান্তিভাব
এসব বাড়তে থাকলে এবং সঠিক পদক্ষেপ না করলে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। 
কেন এই সমস্যাগুলো হয়ে থাকে?‌
আমাদের শরীর ভিতরের তাপমাত্রা ৩৭.‌৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ধরে রাখার চেষ্টা করে। সে বাইরে তাপপ্রবাহ চলুক বা বরফপাত। এই তাপমাত্রায় শরীরের ভিতরের অন্ত্রগুলো সক্রিয় থাকতে পারে। কাজ করতে পারে। এবার বাইরের তাপমাত্রা বাড়লে আমাদের শরীরকে অনেক বেশি খাটতে হয় ভিতরের তাপমাত্রা ৩৭.‌৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ধরে রাখার জন্য। শরীরে তাপমাত্রাকে বাইরে বের করে দেওয়ার জন্য সে ত্বকের লাগোয়া রক্তনালিগুলোকে খুলে দেয়। ফলে ঘাম নির্গত হতে থাকে। 
এই অবস্থায় সুস্থ থাকতে কিছু নিয়ম মেনে চলুন—
• দিনে নিয়ম করে ৪ লিটার জল খান। তেষ্টা না পেলেও খান।
• তেল, মশলা দেওয়া খাবার এই সময় এড়িয়ে চলুন। হালকা, সহজপাচ্য খাবার রাখুন রোজের ডায়েটে। 
• নিয়ম করে রোজ ফল ও শাকসবজি খান। শশা, তরমুজ, আখের রস, ডাবের জল, পাতিলেবুর জল, ঘোল খেলে শরীর ঠান্ডা থাকবে। 
• নুন-চিনি মেশানো জল সবসময় সঙ্গে রাখুন। গ্লুকোন–ডিও রাখতে পারেন।
• গরমে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। সঙ্গে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস, জলের বোতল রাখবেন। 
• ঠান্ডা জলে স্নান করুন।
• হাত–পায়ে বেশি ক্র‌্যাম্প ধরলে বা অস্বস্তি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
• বাইরে খোলা খাবার, কাটা ফল খাবেন না।
• দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত দরকার না পড়লে বেরোবেন না। 

আকর্ষণীয় খবর