আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ যোগাসনের কঠোর নিয়মের সঙ্গে যদি মিলে যায় গাঁজার সুখটান!‌ এই অবিশ্বাস্য মেলবন্ধন ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে আমেরিকায়। ২০০৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোয় নিজের যোগাসনের ক্লাসের মধ্যেই প্রথম গাঁজায় দম দেওয়ার সুযোগ চালু করেছিলেন যোগ শিক্ষিকা ডি ডুসল্ট। তখন থেকেই সান ফ্রান্সিসকোয় জনপ্রিয়তা বাড়ছিল ডুসল্টের। কিন্তু যেহেতু তখন ক্যালিফোর্নিয়ায় মারিজুয়ানার বিনোদনমূলক ব্যবহার অবৈধ ছিল, সেহেতু সেভাবে প্রচার পায়নি ডুসল্টের গাঁজা–যোগাসন ক্লাস। পরে মার্কিন সরকার ক্যালিফোর্নিয়ায় বিনোদনের জন্য মারিজুয়ানার ব্যবহার বৈধ ঘোষণা করলে হু হু করে বেড়ে যায় তাঁর গাঁজা–যোগ ক্লাসের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা। ডুসল্টের দাবি, গাঁজায় রয়েছে উত্তেজনা এবং হতাশা দমনকারী পদার্থ।

তাই কঠোর নিয়মের যোগাসনের ফাঁকে যদি কেউ গাঁজা ভরা সিগারেট বা ছিলিমে টান দেন, তখন তাঁর মনের মধ্যে চলতে থাকা উদ্বেগ, হতাশা ক্রমেই ফিকে হতে হতে মিলিয়ে যায়। কারণ গাঁজা সেবনকারীরা যেহেতু কিছুটা নেশাগ্রস্ত জগতে চলে যান, সেহেতু সাময়িক উত্তেজনা বা দুশ্চিন্তা তাঁদের গ্রাস করে না। সেজন্যই যোগাসনের ক্লাসের ফাঁকে ছাত্রছাত্রীদের গাঁজা সেবনের জন্যও সময় দেন তিনি। ডুসল্টের এক ছাত্রী টিফানি মার্ক্যুয়েজ বলেছেন, তিনি যখন যোগাসনের ফাঁকে গাঁজায় দম দেন, তখন তাঁর পেশি হাল্কা হয়ে যায়। ফলে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে পারেন। সান ফ্রান্সিসকো ছাড়া এবার অন্যান্য শহরেও নিজের গাঁজা–যোগ ক্লাস খুলতে চাইছেন ডুসল্ট। তবে শুধু ডুসল্টই নয়, অন্য কয়েকজন যোগ শিক্ষকও ওয়াশিংটন ডিসি, ম্যাসাচুসেট্‌স, ডেনভার সহ আমেরিকার বেশ কিছু শহরে এধরনের যোগাসন কেন্দ্র খুলেছেন, যা ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।  

জনপ্রিয়

Back To Top