আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মনোবিদেরা বলেন, মানুষের একটা প্রবনতা থাকেই নিজের প্রেম, প্রণয় গোপন রাখা। এমনকি নিজের বিয়ের খবর কেউ কেউ গোপন করে থাকেন। কিন্তু সামাজিক বিয়ে করার সময় সবাইকে জানিয়ে করাটাই আমাদের সমাজে রেওয়াজ হয়ে দাড়িয়েছে। ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে থাকে ঝলমলে উৎসবের মেজাজ, খাওয়াদাওয়া এবং নবদম্পতির মধুচন্দ্রিমা ও খুনসুটি। এত কিছুর পরও অনেক দম্পতিদের দেখা যায় বিয়ের পর গোপনীয়তার নাটক।  বর্তমানে দেখা যায় পেশার কারণে, সমাজে স্বীকৃতির দেওয়ার সংকটে বিয়ে গোপন করে বহু প্রণয়ের ঘটনা শোনা যায়। প্রশ্ন কেন এই প্রবণতা দেখা যায়–
❏‌ বিয়ে করেও তা গোপন রাখেন অনেকে।  আমরা দেখি রুপালী পর্দার অনেক তারকার মধ্যে এই স্বভাব লক্ষ্য রাখা যায়। অবশ্য এই স্বভাব আর তারকাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অন্যান্য পেশার মানু্ষের মধ্যেও গোপনীয়তা অবলম্বন করতে দেখা যায়।
❏ আঠারো বছরের আগে বিয়ে করলে, আইনি ঝামেলা এড়ানোর জন্য কেউ কেউ বিয়ে করেও গোপন রাখে।
❏ ‌প্রতিবেশি ও আত্মীয়স্বজনের কুচক্রের  বিয়ে ভেঙে যেতে পারে এই আশঙ্কায় অনেকে বিয়ে গোপন রাখেন।
❏ ‌অভিভাবকরা অনেক সময় সব প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয় না। সম্পর্ক ভাঙার আশঙ্কায় দেখা যায় প্রেমিক–প্রেমিকা বিয়ে গোপন রাখছে।
❏ চাকরি করতে অনেকে দেশ-বিদেশে যায়। ওই সময় দেখা যায় সাময়িকভাবে অনেকে গোপনে বিয়ে করে ফেলেন। সেই খবর সবাইকে জানান না।
❏ ‌দীর্ঘদিনের বৈবাহিক জীবনে সন্তান হয় নি বা দেখা গেছে পর পর কন্যা সন্তান হয়েছে। সেই সময় প্রথম স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদে রাজি হচ্ছেন না। তখন গোপনে আরেকটি বিয়ে করছেন অনেকে।
❏ এমন অনেক পেশা আছে বা সাংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে সময় মত বিয়ে করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে এমনও খবর পাওয়া যায় ওই ব্যাক্তির গোপনে আগেই বিয়ের করেছেন অনেক আগেই। 
❏‌ সুন্দরের প্রতি আকর্ষণ মানুষের থাকে। পাশাপাশি যদি খোলামেলা যৌনতার হাতছানি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। দেশ-বিদেশে ব্যবসা বা চাকরির সুবাদে অনেকে বাইরে থাকেন। সেখানে প্রতিপত্তি বাড়ানোর জন্য অনেকে গোপনে নানা জায়গায় বিয়ে করার খবর পাওয়া যায়।

(‌এতকিছুর মধ্যেও সবাইকে মাথায় রাখতে বিয়ে নিয়ে গোপনীয়তা আমাদের দেশের আইনি বৈধতা নেই। বিয়ে প্রকাশ্যে সবাইকে জানিয়ে করাই ভাল। গোপন বিবাহ নিয়ে আইনগত সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।)‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top