রাজীব ঘোষ:‌ বাঙালি কারি খেয়ে তর হয়ে যায়, হেঁশেলে তরকারি রকমারি। তাই বলে এশিয়ার অন্য দেশও কম যায় না, তাদের কারিতে হরেক রকমফের। দক্ষিণ কলকাতার অ্যাক্রোপলিস মলের টঙে ‘‌এশিয়া কিচেন’ রেস্তোরাঁয় শুরু হল এশিয়ান কারি ফেস্টিভ্যাল। চীন, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, বর্মা, থাইল্যান্ড আর মালয়েশিয়ার সুখাদ্যের অনন্য সম্ভার হাজির করেছেন মাস্টার শেফ রাজেশ দুবে। ‌
থাই জাঙ্গল কারি। ওদেশের উত্তর দিকে খাবার–দাবারে নারকেলের ব্যবহার নেই। মূলত বর্মারই প্রভাব ওদিকে। যাঁরা থাইল্যান্ডের খাবার বলতেই গালাঙ্গালের ব্যবহার বোঝেন, তাঁরা চমকে যাবেন। আদা আছে, গালাঙ্গাল নয়, নাম তার ক্রাচি। অতি পেলব স্বাদ। থাইল্যান্ডের কারি মানেই গ্রিন আর রেড নয়, এবার বোঝা গেল। নারকেল, লেমন গ্রাস, কাঁচা লঙ্কা, কাফির লাইন আর ধনেপাতার মূল দিয়েই মূলত থাই রান্না–রাজেশ দেখি অন্যরকম।
জাপানিজ গোল্ডেন কারি খেলে ভুলতে পারবেন না। শরৎচন্দ্র বসুরা জাপানে একটি ছোট্ট খাদ্যমালা খুলেছিলেন। এক জাপানি পরিবার রান্না শিখে উদ্ভাবন করেছিলেন ওই জাপানিজ কারি। মুরগির মাংস, থুড়ি চিকেন কাৎসু। ম্যারিনেট করা, তারপর ক্রিম দিয়ে হাল্কা ভাজা। চমৎকার। 
মালয়েশিয়ার পেনাং কারিতে লেমন গ্রাসের উচ্চকিত উপস্থিতি। রোস্ট ডাক ব্রেস্ট দিয়ে রেড কারি মুখে লেগে থাকবে। রেনড্যাং কারিতে মুসলিম রান্নার প্রভাব বিলক্ষণ। সঙ্গে লেমন গ্রাসও। এবার আর ভাত নয়, দিব্যি পরোটা দিয়ে সাঁটানোর ব্যবস্থা। বাঃ!‌  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top