আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কর্পোরেট ধাঁচে ইনসেনটিভ ঘোষণা তৃণমূলের। আজ তৃণমূল ভবনে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিশেষ বৈঠক ছিল। সেখানেই জানানো হয়েছে, যে কাউন্সিলর যে ওয়ার্ড থেকে সবচেয়ে বেশি লিড দিতে পারবেন, তাঁকে কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে উন্নয়নে এক কোটি টাকা বাড়তি দেওয়া হবে। প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্কপ্রসূত এই পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কাউন্সিলরদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ওয়ার্ডে দলীয় বিধায়ককে বাড়তি লিড দেওয়ার জন্য কোমর বেঁধে লড়াই করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। 
তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ২০১৫ কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি বুথে কত ভোট ছিল, তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি বুথ ওয়ারি কত ভোটে জিতেছেন বা হেরেছেন বা কোন বুথে পিছিয়ে রয়েছেন, সেগুলি পর্যালোচনা করতে হবে। ২০১৯ নির্বাচনে সেই ওয়ার্ডের সেই বুথে ফলাফল কি ছিল তার হিসেব নিকেশ করতে বলা হয়েছে। পুরসভা, বিধানসভা এমনকি লোকসভার ভোটে কাউন্সিলর কেমন খাটেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে বুথ পিছিয়ে আছে সেখানে জোর দিতে হবে। প্রত্যেককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এটা মমতা ব্যানার্জির নির্বাচন। সেইভাবেই করতে হবে পরিশ্রম। এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়েছে, ২ মে ফলাফল ঘোষণার ৭৫ দিনের মধ্যে পুরভোট হতে পারে। সেভাবেই তৈরি থাকতে বলা হয়েছে কাউন্সিলরদের। তাই বিধানসভা ভোটে যিনি দলকে বেশি লিড দেবেন, পুরভোটের সময় প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে যাবেন। এদিনের বৈঠকে বলা হয়েছে, ৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী শহরে আসার আগেই দলীয় পতাকা ও ফেস্টুনে মুড়ে ফেলতে হবে শহর। আগামীকাল হবে প্রার্থী ঘোষণা। তারপরই কাউন্সিলরদের ঝাঁপিয়ে পড়তে বলা হয়েছে। ১২ টি প্রচারের ব্যানার সম্বলিত একটি ডিভিডি সব কাউন্সিলরদের দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বিধায়ক, কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে ছিলেন অভিষেক ব্যানার্জি, সুব্রত বক্সী, পার্থ চ্যাটার্জি, প্রশান্ত কিশোর। পুরভোটের মতো বিধানসভা ভোটেও বাড়ি বাড়ি প্রচারে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বৈঠকে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top