আজকালের প্রতিবেদন: ক্যালেন্ডার বলছে, মাঘের শেষ হতে এখনও বেশ কয়েক দিন। কিন্তু দুপুর যেন চৈত্রের। রোদের তেজ, ঘাম হচ্ছে। দিনে তো বটেই, ভোরের দিকেও চালাতে হচ্ছে পাখা। ফেব্রুয়ারির শুরুতে এমন আবহাওয়া শেষ কবে দেখা গেছে?‌ মনে করতে পারছেন না কেউই। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.‌৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ ৩০.‌১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের ২ ডিগ্রি ওপরে। সর্বোচ্চ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে বাড়িয়ে তুলছে গরম। কিন্তু অসময়ে এরকম বাড়তি আর্দ্রতা আর বাড়তি তাপ কেন?‌ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে দানা বেঁধে থাকা একটি ঘূর্ণাবর্ত নেমে এসেছে বাংলাদেশের পূর্ব দিকে। এটি জলীয় বাষ্প টানছে। অন্যদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে একটি বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত। সেটি সামুদ্রিক জলীয় বাষ্প ঢুকিয়ে চলেছে দক্ষিণবঙ্গে। যা বাড়িয়ে দিচ্ছে তাপমাত্রা। জলীয় বাষ্পের পাশাপাশি কিছু মেঘও ঢুকেছে। ফলে দিনের বেলা আকাশ থাকছে আংশিক মেঘলা। যা রোদের তেজ কমলেও তাপমাত্রা নামতে দিচ্ছে না। উল্টে রাতের দিকে বাড়িয়ে দিচ্ছে কুয়াশা। তাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও নামতে বাধা পাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এরকম আংশিক মেঘলা আকাশ আগামী কয়েকদিন থাকবে। তাতে সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশিই থাকবে। আর্দ্রতাও বাড়তি থাকায় গরম লাগবে একটু বেশিই। তবে কি শীত বিদায় নিল?‌ মৌসম ভবন জানিয়েছে, গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে পরিস্থিতি যা তাতে শীত বিদায় নিয়েছে বলা চলে। তবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভোরের দিকে হালকা শীতের আমেজ আরও দু–তিনদিন থাকবে। দক্ষিণবঙ্গে যখন বেশ গরম অনুভূতি তখন উল্টো ছবি দার্জিলিঙে। সেখানে মঙ্গলবারও বেশ কনকনে ঠান্ডা। কুয়াশা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪.‌২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কালিম্পঙে ৭.‌০।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top