আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিনা কারণে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন শিশির অধিকারী, তাই তাঁর ‘ভুল’ ভাঙাতে ফেসবুক লাইভে এলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এখনও শিশিরকে সম্মান করেন, কোনওদিন ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি, মেদিনীপুরের নেতা তাও কেন খড়্গহস্ত হলেন, বুঝতে পারছেন না কুণাল। তবে পালটা আক্রমণ নয়, শিশির অধিকারীর ভুল ধারণা ভেঙে দিতেই এই ফেসবুক লাইভ, শুরুতেই জানিয়েছেন কুণাল।
লাইভে এসে যে কুণাল কথাটা বারবার বলতে চাইলেন, তা হল, বাবার পরিচয়ে তিনি সাফল্য পাননি। যা করেছেন নিজের দমে করেছেন। এসব কথা তিনি শিশির অধিকারীর উদ্দেশে বললেও, বার্তা যেন শুভেন্দুর প্রতিই। কুণালের দাবি, সারদার মিডিয়া সংক্রান্ত দায়িত্বভার ছিল তাঁর কাঁধে, আর্থিক লেনদেনের কোনও এক্তিয়ার ছিল না। সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেল মিলিয়ে বাংলার প্রায় পাঁচটি সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব একা সামলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, একলাফে শীর্ষে ওঠা নয়, একের পর এক সিঁড়ি ভেঙেই এই জায়গায় পৌঁছেছেন। কুণালের বাবা এবং ঠাকুর্দা নামী চিকিৎসক ছিলেন। সাংবাদিকতার নেশা তাঁকে সে পথে যেতে দেয়নি। ফলে বাবা-ঠাকুর্দার সুবিধা পাননি, জানালেন কুণাল। 
শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগ নিয়ে বেশ কয়েকবার আক্ষেপ করলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। বললেন, দলে থেকেই তো সমস্যার কথা আলোচনা করা যেতে পারত। কুণাল বললেন, ‘আমি কেন খামখা শুভেন্দুকে আক্রমণ করতে যাব। ও তো নেতা, আমি তো নই। শুভেন্দু আমার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, আমিও শুভেন্দুর প্রতিদ্বন্দ্বী নই।’ শুভেন্দু আদৌ মন থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছেন বলে মনে করেন না কুণাল। তাঁর মতে, যারা আক্রমণ করতে চাইছে তাদের হাতের অস্ত্র হয়ে গেছেন শুভেন্দু। দলে থাকলে শুভেন্দু-অভিষেক জুটি তৃণমূলের সম্পদ হতে পারত বলে দাবি কুণালের। ‘এখনও শুভেন্দু আমার শত্রু নয়, রাজনৈতিক বিরোধী’, বললেন তিনি। 
শিশিরবাবুর উদ্দেশে কুণালের প্রশ্ন, ‘আপনি বলছেন, আপনার পরিবারের প্রতি অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছি। একবার ভেবে দেখুন তো, আপনার পরিবারের সদস্য তরুণ নেতা অভিষেককে তোলাবাজ ভাইপো বলে যাচ্ছেন, এতে আপনার প্রাণ কেঁদে উঠছে না?

ছবি সূত্র: ফেসবুক  
 

জনপ্রিয়

Back To Top