আজকালের প্রতিবেদন‌‌
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সূচনা করার পর প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। ইমিউনোহেমাটোলজি অ্যান্ড ব্লাড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ ধীরে ধীরে প্লাজমা সংগ্রহ বাড়াচ্ছে। প্লাজমা ব্যাঙ্ক তৈরির জন্য স্বাস্থ্য দপ্তর সবদিক থেকে সহযোগিতা করছে বলে জানান বিভাগীয় প্রধান ডাঃ প্রসূন ভট্টাচার্য। হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ক সংলগ্ন একটি জায়গা বাছাই করা হয়েছে সেখানে খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন দ্রুত পাবেন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। পৃথক ভবনে থাকবে প্লাজমা সংরক্ষণের বড় জায়গা। আনা হবে আলাদা মেশিনপত্র। ল্যাবরেটরি পরিকাঠামো গড়া হবে। ল্যাবরেটরির পরিকাঠামো ‌বায়োসেফটি লেভেল টু স্তরের হলে প্লাজমা ব্যাঙ্ক করা যাবে। প্রসূনবাবু জানান, আরও বেশি সংখ্যায় টেস্টের সুবিধে, টেকনিশিয়ান, নার্সিং স্টাফ ও অন্যান্য কর্মী প্রয়োজন। দাতাদের বাড়ি থেকে হাসপাতালে আনা, আবার পৌঁছে দেওয়া— এই সমস্ত কিছুর ব্যবস্থা করবে স্বাস্থ্য দপ্তর। বেলেঘাটা আইডি–তে সপ্তাহে একদিন বুধবার করে চলা পোস্ট কোভিড ক্লিনিকে করোনাজয়ীদের ফলো–আপের পাশাপাশি প্লাজমা দানের বিষয়েও কাউন্সেলিং করা হয়। তবে আস্তে আস্তে কলকাতা মেডিক্যাল–সহ অন্যান্য কোভিড হাসপাতালেও এই ধরনের কাউন্সেলিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। হাসপাতালের এক চিকিৎসকের মতে, প্লাজমা দানে উৎসাহ বাড়ানোর জন্য শুধু একটি হাসপাতালের উদ্যোগ নিলে হবে না। কারণ সব রোগী তো আর বেলেঘাটা আইডি–তে ভর্তি হচ্ছেন না। যে হাসপাতাল থেকে রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন, পরবর্তী ক্ষেত্রে কোনও প্রয়োজনে বেশির ভাগ রোগী সেই হাসপাতালেই যাচ্ছেন। তাই সব কোভিড হাসপাতালকে রোগীদের কাউন্সেলিংয়ের ওপর জোর দিতে হবে। একজনের প্লাজমা দিয়ে অন্য এক মূমুর্ষু করোনা রোগীকে বাঁচানো যেতে পারে, সেই সচেতনতাবোধ জাগাতে হবে। তাহলেই ব্যাঙ্কের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যায় প্লাজমা পাওয়া যাবে। মাসে অন্তত ৩০–৪০ জন করে প্লাজমা দান করলে অনেকটাই সুবিধে হবে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top