আজকালের প্রতিবেদন
‌রাজ্যে মরণোত্তর দেহদান আন্দোলন প্রথম যে পাঁচজনকে দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁদের মধ্যে অন্যতম মালা রায়ের জীবনাবসান হল। ১৯৮৬ সালের ৫ নভেম্বর গণদর্পণ–‌এর পক্ষ থেকে যে পাঁচজনকে দিয়ে মরণোত্তর দেহদান আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মালা রায়। তিনি ৬ বছর বয়স থেকেই দৃষ্টিহীন। মরণোত্তর দেহদানের গুরুত্ব নিজের জীবন দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন। বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ভবানীপুরে যদুবাবুর বাজারের কাছে তঁার বাড়ি। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। ৫ আগস্ট অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু ঘটে। গণদর্পণের পক্ষে শ্যামল চ্যাটার্জি বলেন, তিনি নিজে দৃষ্টিহীন হয়ে বিভিন্ন জায়গায় দেহদানের সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে গিয়েছিলেন। নিজেও অঙ্গদানের অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়, তাই নিয়ম অনুযায়ী ওঁনার দেহ ময়নাতদন্ত করতে হয়। অনেক চেষ্টা করা সত্ত্বেও করোনা–‌আবহে লকডাউনের জন্য মালা রায়ের দেহ দান করা সম্ভব হয়নি। এদিন কেওড়াতলা শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top