সাগরিকা ‌‌‌দত্তচৌধুরি
কোভিড হাসপাতালে সিসিইউ, আইসিইউ ও এইচডিইউ–তে ভর্তি থাকা আশঙ্কাজনক রোগীদের বিশেষ নজরদারিতে কমিটি গঠন করল স্বাস্থ্য দপ্তর। চারজন করে চিকিৎসকের টিম ঠিক করে দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। সোম–শনি কোন কোন হাসপাতালের চিকিৎসক কোন কোভিড হাসপাতালে যাবে তার বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করে টিম ১, ২ ও ৩ গঠন করা হয়েছে। তাঁরা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এমআর বাঙুর, বেলেঘাটা আইডি, সাগরদত্ত, ও রাজারহাট চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি থাকা আশঙ্কাজনক রোগীদের বিশেষ নজর রাখবেন। প্রতি টিমে চারজন করে চিকিৎসক রয়েছেন। এসএসকেএম, আরজি কর, এনআরএস ও ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন, চেস্ট মেডিসিন, অ্যানাস্থেশিওলজি, ফার্মাকোলজি, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের রাখা হয়েছে পরিদর্শন টিমে। শুক্রবার স্বাস্থ্য দপ্তর নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, প্রত্যেক দিন সকালে কোভিড পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (‌সিপিএমএস) দ্বারা‌ অত্যন্ত গুরুতর রোগীদের চিহ্নিত করে প্রত্যেক দিন সকালে তিনটি পরিদর্শন টিমকে যথাযথ তালিকা সরবরাহ করা হবে। হাসপাতাল নির্বিশেষে প্রত্যেক রোগীর সঙ্গে দেখা করবে এই টিম। স্বাস্থ্য ভবনে ডাটা অ্যানালিসিস সেলের প্রধান অদিতি দাশগুপ্ত দৈনিক ভিত্তিতে কয়েকজন রোগীর তথ্য বিস্তারিতভাবে টিমকে জানাবেন। হাসপাতালে গুরুতর আশঙ্কাজনক রোগীকে দেখার পর টিমের সদস্যরা তাঁদের পর্যবেক্ষণ যেখানে থাকবে সেখান থেকেই সরাসরি সিপিএমএসে নথিভুক্ত করতে পারবেন। তিনটি টিমের কাজের জন্য তিনটি করে ট্যাব বরাদ্দ করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে হাসপাতালের প্রশাসনকে জানানো হবে।  
এদিন আর একটি নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে এবার থেকে সব কোভিড হাসপাতালের সিসিইউ, আইসিইউ, এইচডিইউ–তে আশঙ্কাজনক রোগীদের শারীরিক বিবরণী দিনে চারবার নথিভুক্ত করতে হবে কোভিড পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে। গুরুতর রোগীর আশঙ্কাজনক সঙ্কেত অর্থাৎ আর্লি ওয়ার্নিং স্কোর লাল চিহ্ন দিয়ে দিনে দু’‌বার এবং ওয়ার্ডে থাকা অন্য রোগীদের স্কোর দিনে একবার নথিভুক্ত করতেই হবে। ১০০ ভাগ তথ্য সরবরাহ করতে হবে। এ কাজের জন্য ২৬ জন নার্সিং কর্মীকে ডিটেলমেন্টে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা কলকাতা মেডিক্যাল, বেলেঘাটা আইডি, এমআর বাঙুর, সাগরদত্ত এবং রাজারহাট চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে কাজ করবেন।

জনপ্রিয়

Back To Top