আজকালের প্রতিবেদন- সোমবার এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল এসএসকেএম হাসপাতালে। আবারও চিকিৎসক নিগ্রহের অভিযোগ উঠল মৃত রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ। অভিযুক্ত ব্যক্তি মহম্মদ সাজিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিসি (‌সাউথ)‌ মিরাজ খালিদ, কমব্যাট ফোর্সের (‌ডিসি) নরিন্দর সিং যান এসএসকেএমে।  
খিদিরপুরের বাসিন্দা মহম্মদ সাকির (‌৩০) গত ১৫ জুলাই কিডনি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন। নেফ্রোলজি বিভাগে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। চিকিৎসকরা পরিবারকে জানিয়েছিলেন রোগীর কিডনির ৭৫ শতাংশ বিকল হয়ে গেছে। রোগীর অবস্থার ক্রমশ অবনতি হচ্ছিল। চলছিল ডায়ালিসিস। রোগীর ভাই মহম্মদ সাজিদকে ২৪ ঘণ্টার জন্য হাসপাতালে থাকতে বলা হয়েছিল। এদিন ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রোগীর মৃত্যু হয়। তারপরই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে মৃতের ভাই ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক সৌগত দাশগুপ্তর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওয়ার্ডের ভেতরে কাচ ভাঙে। অন্য এক আরএমও বাধা দিতে গেলে তাঁকে চড় থাপ্পড় মারে বলে অভিযোগ। নার্স ও আয়াদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। সঙ্গে সঙ্গে ভবানীপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।‌ ‌অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতকে এদিন আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সরকারি কৌঁসুলি সৌরীন ঘোষাল ধৃতের জামিনের বিরোধিতা করেন। ধৃতকে একদিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। নিগৃহীত চিকিৎসক পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর সময় কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। হঠাৎ কী করে দাদার মৃত্যু হল?‌ প্রশ্ন মৃতের ভাইয়ের।

জনপ্রিয়

Back To Top