Saraswati Puja: কোথাও থিম, কোথাও সাবেকিয়ানা, আল্পনা আর আলোয় সেজে উঠেছে ক্যাম্পাস

কৌশিক রায়: বাগদেবীর আরাধনায় তৈরি  কলেজ ক্যাম্পাসগুলো। বেশির ভাগ কলেজেই পুজো হচ্ছে সাবেকিয়ানা মেনে। তবে থিমের পুজোও হচ্ছে কোথাও কোথাও। কলেজের ছাত্রছাত্রীরা তো থাকেনই, ভিড় জমে প্রাক্তনীদেরও। পুজোর এই একটা দিন বয়েজ হোস্টেল, গার্লস হোস্টেলে ঢোকার ঢালাও অনুমতি পাওয়া যায়। ফলে, পুজোর আনন্দ হয়ে ওঠে দ্বিগুণ। খোঁজ নিয়ে জানা গেল কলকাতার বেশ কিছু কলেজে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে এক সপ্তাহ আগে থেকেই। ছাত্রদের উৎসাহে সরস্বতী পুজোর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান মিনাল পারিক জানান, 'ছাত্ররা নিজেদের উদ্যোগে পুজো করছে। এবারে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি এবং টেকনো ইন্ডিয়া নিউ টাউন কলেজের যৌথ উদ্যোগে পুজো করা হচ্ছে। সাবেকি ধারা মেনেই পুজো করা হবে।'  হাজরা ল কলেজে প্রতি বছর বিধি মেনে জাঁকজমক করে পুজো হয় ডাকের সাজে। কলেজের প্রাক্তনী প্রান্তিক ভট্টাচার্য জানান, 'এখানে সাবেকি ভাবধারা বজায় রেখে পুজো হয়ে আসছে বরাবরই। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে সমস্ত কলেজে পুজো হয় তার মধ্যে অন্যতম আমাদের পুজো। বেশ বড় করে পুজো করি আমরা। হাজরা ল কলেজের পুজোর বিশেষত্ব আল্পনা।

গত এক সপ্তাহ ধরে ছাত্রীরা কাজ করছে। ঠাকুর চলে এসেছে মঙ্গলবার রাতে। রাত জেগে ক্যাম্পাস সাজানোর কাজ চলছে।' পিছিয়ে নেই আশুতোষ কলেজের পুজোও। কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক সদস্য জানালেন, 'আলোকসজ্জার ওপর বেশি জোর দিই আমরা। বরাবরই ডাকের সাজে পুজো হয় আমাদের। ছাত্রছাত্রীরাই পুজোর কাজ করছে। আল্পনা থেকে শুরু করে প্যান্ডেলের কাজ সবই প্রায় শেষের পথে।' শহর কলকাতার পাশাপাশি পিছিয়ে নেই জেলার কলেজের পুজোও। উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটির ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র কলেজে প্রতি বছরই পুজো হয় থিম মেনে। তবে এই বছরের পুজোর থিম জানতে চাইলে কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তুলিকা ঘোষ জানালেন, 'সেটা এখনও সাসপেন্স থাক।' বৃহস্পতিবার এই কলেজে পুজো উদ্বোধন করতে আসবেন মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে এক সপ্তাহ আগে থেকেই। কাপড়ের বিভিন্ন জিনিস, শোলা এবং হাতের কাজের ওপর নির্ভর করে সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। তুলিকা জানালেন, ' অন্যবারে আমরা ছাত্রছাত্রীদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিই। এবার ঠিক করেছি সবাইকে বসিয়ে পোলাও, আলুর দম, পনির, মিষ্টি খাওয়াব। তবে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পুজো পড়ায় খাওয়াদাওয়াটা কয়েকদিন পর করা হবে।' রাত পোহালেই সরস্বতী পুজো। সকাল সকাল অঞ্জলি দিয়ে স্কুল, কলেজ, রেস্তোরাঁয় ভিড় জমাতে তৈরি নবীন নবীনার দল।

আকর্ষণীয় খবর