আজকালের প্রতিবেদন—ধান চাষের উৎসাহভাতা কুইন্টাল পিছু ২০ টাকা করা হয়েছে। কুইন্টাল প্রতি ধানের দাম ১৭৫০ টাকা। ভাতা–সহ ১৭৭০ টাকা পাবেন কৃষকরা। ছোট ও মাঝারি প্রান্তিক কৃষকদের জন্যই এই সিদ্ধান্ত। গণবণ্টন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতেও একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বৃহস্পতিবার মহাজাতি সদনের এক রাইস মিল মালিক অ্যাসোসিয়েশনের এক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। এদিন ১ হাজার রাইস মিল মালিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, ‘‌দিল্লি আমাদের কোনও সাহায্য করছে না। রাজ্যের প্রতি চরম বঞ্চনা করা হচ্ছে।’‌ 
এদিন তিনি জানান, রাজ্যের চাষিদের পাশে সরকার সবসময়ই আছে। জেলাভিত্তিক ৬০০টি ধান ক্রয় কেন্দ্র করা হচ্ছে। রাইস মিল সংলগ্ন এলাকায় করা হবে কেন্দ্রগুলি। কৃষকদের মিলের খরচ দিতে হবে না। বিডিওরা গোটা প্রক্রিয়াটির দায়িত্বে থাকবেন। ১ অক্টোবর থেকে কৃষকদের রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। মরশুমে মোট ৯ কুইন্টাল ধান বিক্রি করতে পারবেন তাঁরা। 
কৃষকদের টাকা দেওয়া হবে এনএফটির মাধ্যমে। কোনও চেক বা নগদে টাকা দেওয়া হবে না। কৃষকরা যাতে প্রতারিত না হন, সেজন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি জেলাভিত্তিক টোল–ফ্রি নম্বর থাকবে। কৃষকদের ওপর কোনও কারণে চাপ তৈরি হলে তাঁরা ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ পেলে খাদ্য দপ্তর থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নজরদারির জন্য ৯০টি ভিজিল্যান্স দল তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি দলে ৪ জন করে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ধানের দাম যত বাড়বে, ততই ভাল। কৃষকরা দাম পাবেন। এছাড়াও সাড়ে ৭ কোটি টাকার পাটের ব্যাগ কেনা হবে পাট নিগমের কাছ থেকে। নতুন ব্যাগে চাল যাবে। 
পাশাপাশি রাজ্যে পঞ্চাশ হাজার মেট্রিক টনের ধানের গুদাম তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যেই পাঁচটির দরপত্র হয়ে গেছে। শালবনির টাঁকশালের কাছেই খাসজমিতে তৈরি হবে গুদামটি। জলপাইগুড়িতেও তৈরি হবে একটি গুদাম। অন্যগুলির জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে।   ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top