Baisakhi-Ratna: আমার আর শোভনের ব্যক্তিগত বিষয়ে রত্নার কথা বলার কোনও অধিকার নেই: বৈশাখী

আজকাল ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘ ১৩ বছরের বন্ধুত্ব স্বীকৃতি পেল বিজয়া দশমীতে। সর্বসমক্ষে সবচেয়ে কাছের মানুষ বৈশাখী ব্যানার্জির সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। এই সিঁদুরদান পর্ব ঘিরে উৎসবের মরশুমে ফের তোলপাড় শহর কলকাতা। বৈশাখীর বিরুদ্ধে একের পর এক বাণ ছু্ঁড়েছেন রত্না চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বাবা। রত্নার দাবি, এখনও আইনত শোভন তাঁর স্বামী। বৈশাখীকে সিঁদুর পারতেই পারেন না। অন্যদিকে এই সিঁদুরদানের ঘটনাকে ব্যাভিচার বলে কটাক্ষ করেছেন শোভনের শ্বশুর মশাই তথা মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাসও। সমস্ত মন্তব্য শোনার পর সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈশাখী ব্যানার্জি। 
বৈশাখীর বক্তব্য, এটা শোভন ও তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। শোভন নিজে থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমনকি তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে রত্নার থার্ড পার্সন হয়ে কিছু বলার অধিকার নেই তাও উল্লেখ করলেন তিনি। বৈশাখীর কথায়, 'এটা আমার আর শোভনের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। শোভন যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা শোভনের। আমি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা আমার। আর এই সম্পর্কটা গুরুত্বপূর্ণ না হলে শোভন এটাকে স্বীকৃতি দিত না। কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তা সমাজ ঠিক করে দেবে না। অনেক রাজনীতিকেরই বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। শোভনের বেলায় কেন এত কাদা ছোড়াছুড়ি? মনোজিৎকে যে দিন আমি মন থেকে মুছে ফেলেছি, সে দিনই আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। খাতায় কলমে কী রইল, তা নিয়ে ভাবিত নই।' 
এখানেই শেষ নয়। বৈশাখীকে 'রক্ষিতা' বলে কটাক্ষ করেছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা জবাবে রত্নাকে 'আশ্রিতা' বললেন বৈশাখী। তাঁর কথায়, 'উনি এখন যে বাড়িতে থাকেন, সেটা তো আমি কিনে নিয়েছি। রক্ষিতার বাড়িতে আশ্রিতা হয়ে আছেন কেন? এখন তো ছুটি চলছে। ছুটি মিটলেই বাড়ি ছাড়ার নোটিস পাঠাব।' 

 

আকর্ষনীয় খবর