Sister Nivedita University: প্রতিবাদই বড় হাতিয়ার

আজকাল ওয়েবডেস্ক: পিছিয়ে পড়া নয়, এগিয়ে আসতে হবে।

করতে হবে প্রতিবাদ। তবেই ঘাড় থেকে নামবে অত্যাচারের 'ভূত'টা। নারীদের ওপর অত্যাচার বা লিঙ্গভিত্তিক হিংসার বিলোপ ঘটাতে বিশ্ব জুড়ে গত ২৫ নভেম্বর থেকে সচেতনতার যে পক্ষ পালন করা হচ্ছে সেই বিষয়ে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির (এসএনইউ) এক অনুষ্ঠানে উঠল এই আওয়াজ। শুক্রবার উইমেন ডেভেলপমেন্ট সেল (ডব্লুডিসি) আয়োজিত আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন এসএনইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড: ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড: অশোকরঞ্জন ঠাকুর, ডব্লুডিসি'র চেয়ারপার্সন ড: বুলা ভদ্র, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড: পিয়ালি সুর, সাংবাদিক গার্গী গুহঠাকুরতা এবং বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অ্যাকশন এইড-এর রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সুরজিৎ নিয়োগী। ডব্লুডিসি কীভাবে এগিয়ে চলেছে সেই বিষয়টি তুলে ধরা ছাড়াও উপস্থিত পড়ুয়া এবং অন্যরা কীভাবে এই অনুষ্ঠান থেকে উঠে আসা নির্যাস তাঁদের ব্যক্তিজীবনে প্রতিফলিত করতে পারেন এদিন সেই বিষয়টিও উত্থাপন করেছেন উপাচার্য। 

সফল নারীর উদাহরণ দিয়ে প্রাক্তন উপাচার্য ব্যাখ্যা করেন সমাজে আজ নারীরা কীভাবে এগিয়ে চলেছেন। করোনার সময় যে গাহর্স্থ্য হিংসার সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে এদিন সেই বিষয়টি তুলে ধরে বুলা ভদ্র বলেন, 'মহিলাদের ওপর অত্যাচার সমাজে একটা বড় ধরনের ক্যান্সার।' গ্রামের মহিলারা শহরের মহিলাদের তুলনায় অনেক বেশি শারীরিক অত্যাচারের শিকার হন।‌ পিয়ালি শুর জানান, স্বামীর হাতে যত সংখ্যক মহিলা অত্যাচারিতা হন তাঁদের মধ্যে খুব কম মহিলাই পুলিশের দ্বারস্থ হন। প্রতিবাদই যে এই সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করতে পারে সেটাই বলেছেন গার্গী গুহঠাকুরতা। সুরজিৎ নিয়োগীর কথায়, অত্যাচার বন্ধে আইন প্রণয়নের সঙ্গে দরকার সচেতনতা তৈরি। এদিন মহিলাদের ওপর হিংসা এবং তাঁদের বড় হওয়ার পথে বিভিন্ন বাধা নিয়ে শ্রুতিনাটক পেশ করে এসএনইউর পড়ুয়ারা।

আকর্ষণীয় খবর