আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌‘নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্ররা জন্মেছেন এই বাংলার মাটিতে। এই পুণ্যভূমি আমাদের দিয়েছে রামকৃষ্ণ দেব, সারদাদেবী, স্বামী বিবেকানন্দের মতো মানুষকে। এই পুণ্যভূমি দিয়েছে গুরুচাঁদ–হরিচাঁদ ঠাকুরকে। এই পূণ্যভূমি আমাদের দিয়েছে শ্যামাপ্রসাদ, প্রণব মুখার্জিকে। মহাপুরুষদের প্রণাম জানাই।’ 
নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে এই ভাবেই ভাষণ শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন বিকেল ৪টে ১৪ মিনিটে  ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। কিছুক্ষণ পরেই ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানিয়ে তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন মমতা ব্যানার্জি। এরপর একসঙ্গে নেতাজির নামাঙ্কিত গ্যালারির উদ্বোধন করেন তাঁরা। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল। কিছুক্ষণ পর পরীঘরের সামনে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ‘নেতাজির পত্রাবলি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়। প্রকাশ করা হয় নেতাজি স্মারক ডাকটিকিট এবং মুদ্রা। এরপর আজাদ হিন্দ বাহিনীর সদস্যদের সংবর্ধনা জানান প্রধানমন্ত্রী। 
এদিন ভাষণে যা যা বললেন প্রধানমন্ত্রী.‌.‌.‌
• নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতে, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, রোগব্যাধি। সমাজ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলেই এই সমস্যাগুলি দূর করা সম্ভব। নেতাজি যে শক্তিশালী ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ এলএসি থেকে এলওসি পর্যন্ত সারা বিশ্ব সেটা দেখতে পাচ্ছে। সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার চেষ্টা হলেই আজ যোগ্য জবাব দিচ্ছে ভারত।
• আমি অনেকবার ভাবি, আজ দেশ যেভাবে বদলাচ্ছে, নতুন ভারত গঠিত হচ্ছে, সেটা দেখে কতটা খুশি হতেন নেতাজি! আধুনিক প্রযুক্তিতে দেশকে আত্মনির্ভর দেখে গর্ব হত ওনার? বিশ্বের বড় বড় কোম্পানিতে কর্মরত ভারতীয়রা। আজ রাফালের মতো আধুনিক যুদ্ধবিমান ভারতের হাতে। অত্যাধুনিক তেজস তৈরি করছে ভারত। উনি দেখতেন, ওনার দেশের সেনা এতটা শক্তিশালী হচ্ছে। আধুনিক হাতিয়ার পাচ্ছে। এটাই তো উনি চাইতেন। কেমন লাগত তাঁর!
• এত বড় মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে ভারত। ভ্যাকসিন তৈরি করেছে ওনার ভারত। কী ভাবতেন উনি! ভারত ভ্যাকসিন দিয়ে অন্য দেশগুলিকে সাহায্য করছে। এটা দেখে উনি গর্ব করতেন। আমাদের আশীর্বাদ করছেন নেতাজি। শক্তিশালী ভারতের কল্পনা করেছিলেন নেতাজি। এলএসি থেকে এলওসি দুনিয়া দেখছে ভারতের এই অবতার। দেশের সার্বভৌমত্ব চ্যালেঞ্জ করলে জবাব দিচ্ছে ভারত।

জনপ্রিয়

Back To Top