আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সূচি বদল। নেতাজির জন্মজয়ন্তী পালনে বঙ্গ সফরে এসে শুরুতেই কলকাতার নেতাজি ভবনে গেলেন নরেন্দ্র মোদি। নেতাজি ভবনেও খবর আসে দুপুরের দিকেই। তারপরই শুরু হয়ে যায় আয়োজন।
কলকাতায় নেমেই সোজা নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে অভ্যর্থনা জানান সুগত বসু ও সুমন্ত্র বসুরা। জানা গেছে, মোদিকে স্বাগত জানাতে কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ বাংলার বিজেপি নেতারা আগ্রহী থাকলেও তাঁদের এ ব্যাপারে ডাকতে আপত্তি জানিয়েছেন সুগত বসু। নেতাজি ভবনের প্রথা মেনে নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর প্রতিনিধিরাই প্রধানমন্ত্রীকে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে বরণ করে নেন ও ভবন ঘুরিয়ে দেখান। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী যেন শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আসেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সে ব্যাপারে অনুরোধও করেছিলেন সুগত বসুরা।
পৌনে ৩টে নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রীর বিমান। মোদিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পূর্ণেন্দু বসু সহ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মোট ১৩ জন। তারপর সেখান থেকে দুপুর সোয়া তিনটে নাগাদ রেসকোর্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে নেতাজির বাসভবনের বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, চন্দ্র বসুরা। সুগত বসুরা শুরু থেকেই দাবি করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে কোনও খবর তাঁদের কাছে পৌঁছায়নি। দলের তরফে কেন জানানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুধু প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কোনও রাজনীতিককে বাড়ির ভিতরে চাইছে না নেতাজি রিসার্চ ব্যুরো। খুব সুনির্দিষ্টভাবেই চোখে পড়েছে সেই পার্থক্য। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top