আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ যে যাই বলুক, ত্রিপুরায় বিজেপির জয়ের কোনও রকম প্রভাবই পড়বে না পশ্চিমবঙ্গে। বললেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, সিপিএম–এর অহঙ্কার ত্রিপুরায় তাদের পতনের কারণ।   বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গেলে বিজেপিবিরোধী শক্তিগুলির একজোট হওয়া দরকার ছিল ত্রিপুরায়। কিন্তু অহঙ্কারের বশে তাতে গুরুত্ব দেয়নি সিপিএম। এর সঙ্গেই ত্রিপুরার জয়ে কাজ করেছে বিজেপির সোর্স এবং ফোর্স। তৃণমূল প্রার্থীর হারের কারণ নিয়ে মুকুল রায়ের নাম না করেই অকপট পার্থ বলেন, ত্রিপুরায় ভালো ফল করার আশা তাঁরা করেননি। কারণ, সেখানে তৃণমূলের দায়িত্বে ছিল এক বিশ্বাসঘাতক।

 
অন্যদিকে, ত্রিপুরায় বিজেপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সম্পর্কে মুকুল রায় বলেন, গতবারের ভোটেও যেখানে বিজেপি প্রার্থীদের জমানত জব্দ হয়েছিল, সেখানে এই জয় সম্পূর্ণ ঐতিহাসিক। প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ যেভাবে উত্তরপূর্বের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন তারই ফল মিলেছে ভোটবাক্সে। ২৫ বছরের সিপিএম শাসনের অবসান ঘটেছে ত্রিপুরায়। প্রদেশ বিজেপির সদর দপ্তরে কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে আবির খেলা এবং মিষ্টিমুখে মেতে ওঠার ফাঁকেই প্রদেশ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, গত ২৫ বছরের বাম শাসনে ত্রিপুরার মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছিল। এবার সবাই স্বস্তির শ্বাস ফেলল। মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডেও জোট সরকার গড়বে বলে দাবি করেন দিলীপ ঘোষ।      

জনপ্রিয়

Back To Top