আজকালের প্রতিবেদন: অনেক স্টলে এসে গেছে নতুন বই। তবে কাগজে মোড়া। গোছগাছ শেষ হলে মোড়ক খুলে তাকে তাকে সাজানো হবে। অপেক্ষার আর মাত্র দু’‌দিন। মঙ্গলবার ৪৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা উদ্বোধন হবে। তাই জোরকদমে চলছে শেষবেলার প্রস্তুতি। তৈরি হয়ে গেছে সমস্ত স্টল। মেলার সাজগোজও প্রায় শেষ। 
শনিবার বিকেলে বইমেলা চত্বরে গিয়ে দেখা গেল, হইহই করে স্টল সাজানোর কাজ হচ্ছে। কর্মীরা জানিয়েছেন, আজ, রবিবার রাতের মধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ শেষ হয়ে যাবে।  কোলাপসিবল গেট লাগানো রাতেই হয়ে যাবে। তারপর কাচ লাগানো হবে। সঙ্গেই চলছে অন্দরসজ্জার কাজ। শেষে মেলা–চত্বর পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করা হবে। মেলার প্রস্তুতি নিয়ে মগ্ন ‘পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড।’ তাঁরা শিবির খুলে বসেছেন। কতটা কাজ বাকি রইল তার তদারকি চলছে।
এ বছর বইমেলার প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে ১৬ জানুয়ারি থেকে। যথারীতি মেলায় থাকছে সিসি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার, মেটাল ডিটেক্টর। ৫টি দমকল ইঞ্জিন ও মেডিক্যাল ইউনিট। থাকবে প্যাকেটবন্দি পানীয় জলের ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলার জন্য বিন, ভ্যাট এবং পরিবেশবান্ধব শৌচাগার।
গত বছর বইমেলায় এসে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক নিয়ে। বিক্রেতাদেরও ভুগতে হয়েছিল।  সেই সমস্যা মেটাতে এ বছর ৪টি মোবাইল ইন্টারনেট টাওয়ার বসানো হচ্ছে। 
বইমেলায় এবার স্টল হচ্ছে ৬০০টি। থাকবে সাড়ে ৪০০–রও বেশি প্রকাশনা সংস্থা এবং ২০০টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টলও। বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নেও স্টলের সংখ্যা বাড়তে চলেছে। থাকছে ৩৬টিরও বেশি বাংলাদেশি প্রকাশনা। থাকছে ৯টি ঢোকা ও বেরোনোর গেট। ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, জাপান, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, গুয়েতেমালা, পেরু ও লাতিন আমেরিকার ১১টি দেশ মিলিয়ে ২৯টি দেশ নিজেদের সাহিত্যসম্ভার নিয়ে হাজির থাকবে এই বইমেলায়।
বইমেলায় জাতীয় স্তরের প্রকাশনায় অংশ নেবে দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, গুজরাত, নাগাল্যান্ড, অসম, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা ও ওডিশা।‌

জনপ্রিয়

Back To Top