আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ তিতলির ভ্রুকুটি আকাশে দেখা দিলেও পুজো নিয়ে উৎসাহ মানুষের মন থেকে যাবে না। কলকাতার বিভিন্ন পুজো কমিটি দর্শক টানতে নতুন নতুন থিম তৈরি করছে। কিন্তু শহরেই এমন একটি পুজো তৈরি হচ্ছে যেখানে নৌকা করে মণ্ডপের ভেতর প্রবেশ করতে পারবে দর্শকরা। 
দক্ষিণ কলকাতার হালতু নন্দীবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসবের এ বছরের থিম হল ‘‌বাংলা নামে দেশ’‌। পুজো কমিটির সভাপতি অরুণ বালা জানান, এ বছর তাঁদের পুজো ২৬ তম বর্ষে পা দিল। পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ এই দুই বাংলা আলাদা হলেও, সেখানকার বাসিন্দাদের মনের অটুট মিল রয়েছে। সেই দুই বাংলার চিন্তাভাবনাকে তুলে ধরা হবে এই মণ্ডপে। এই ভাবনার পেছনে যিনি রয়েছেন শিল্পী সোমনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, ইছামতী নদীর দুই পাড়ে এপার–ওপার বাংলাকে তুলে ধরার প্রয়াস করা হয়েছে।

দুই বাংলার মাঝে কাঁটাতার থাকলেও ভিসা বা পাসপোর্ট লাগবে না কোথাও যেতে। শিল্পী জানান, দুই বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হবে। মণ্ডপের ডানদিকে থাকবে পশ্চিমবাংলা। এখানকার শিল্প অর্থাৎ বাংলার কাঠ খোদাই শিল্প, পটশিল্প, ডোকরা–টেরাকোটাকে যেমন দেখানো হবে তেমনি অন্যদিকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি নকশিকাঁথা, টাঙ্গাইল শাড়িকেও মেলে ধরা হবে। 
পুজো কমিটির সম্পাদক শুভেন্দু দে জানান, কাঁটাতারের মাঝে থাকবে আলপথ। সেখান দিয়ে দর্শকদের এগিয়ে যেতে হবে এরপর নৌকা করে মণ্ডপের ভেতর তাঁরা প্রবেশ করবে। গোটা মণ্ডপ জুড়েই থাকবে দুই বাংলার বিভিন্ন দৃশ্য। তবে এই পুজোর প্রতিমা একেবারেই সাবেকি। ঢাকের সাজে সেজে উঠবে মা দুর্গা। মে মাস থেকে মণ্ডপ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। পুজো কমিটির আশা অন্য পুজোর পাশাপাশি এ পুজোতেও দর্শকের ঢল নামবে। শুধুমাত্র অপেক্ষা আর কয়েকটা দিনের।  

জনপ্রিয়

Back To Top