আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দুদিনের সফরে শনিবার বিকেল ৩.‌৩০ নাগাদ শহরে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দমদম বিমানবন্দরে বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে কলকাতায় আসেন তিনি। মোদিকে স্বাগত জানান কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং রাজ্যপাল। গোলাপি গোলাপ এবং শাল দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান প্রদেশ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা, মুকুল রায় এবং অর্জুন সিং। বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চপারে রেসকোর্স উড়ে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথের পুরোটাই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে।
কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট বা কেপিটি–র সার্ধ শতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান এবং স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বেলুড় মঠের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। শনিবার সকালেই টুইট করে মোদি বলেছেন, স্বামীজির জন্মজয়ন্তীর সময় বাংলায় আসার জন্য তিনি মুখিয়ে আছেন। রামকৃষ্ণ মিশনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট স্বামী আত্মস্থানন্দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে মোদি টুইটারে লিখেছেন, আত্মস্থানন্দই তাঁকে মানুষের সেবার মাধ্যমে প্রভু–সেবার শিক্ষা দিয়েছিলেন।

এদিন রানি রাসমণি রোডে টিএমসিপি–র অবস্থান বিক্ষোভে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি বলে খবর। আগেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল কেপিটি–র অনুষ্ঠান শেষে মোদি জলপথে বেলুড় মঠ যাবেন। তখনই প্রশ্ন উঠেছিল কলকাতায় বিক্ষোভের ভয়েই তিনি সড়কপথ এড়াতে চাইছেন। এরপর শনিবার সকালে বেলুড়েই রাত্রিবাসের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন মোদি। আর তাতেই কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবারও কি ভয় পেয়েই রাজভবনের পরিবর্তে বেলুড় মঠে রাত কাটাতে চাইছেন তিনি। কারণ মোদি কেন, সারা রাজনৈতিক মহলই ওয়াকিবহাল যে রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখালেও কেউই বেলুড়ে বিক্ষোভ দেখাবেন না।
এনআরসি–সিএএ বিক্ষোভের কারণে আগেই অসম সফর বাতিল করেছেন মোদি। এবার পশ্চিমবঙ্গে এসেও প্রথমে সড়কপথ এড়িয়ে তারপর বেলুড়ে থাকার তাঁর ইচ্ছাপ্রকাশ সেদিকেই ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।
ছবি:‌ এএনআই‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top