আজকালের প্রতিবেদন: রঙের উৎসবে রাজ্যের মন্ত্রী–নেতাদের দেখা গেল সম্পূর্ণ অন্য মেজাজে। দোলের দিন হাতে একতারা, গলায় বাউল গানের সুর শোনা গেল বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চ্যাটার্জির। রঙিন হয়ে আবির নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মন্ত্রী। সামনে যাকে পান, আবির দিয়ে দোলের শুভেচ্ছা জানান। সুরুচি সঙ্ঘে হোলিকা দহন অনুষ্ঠানে অংশ নেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

চাঁচর পোড়ানো হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ছিলেন কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাস। এলাকার মানুষের সঙ্গে রঙ খেলেন মন্ত্রী। ত্রিধারা সম্মিলনীর দোল উদ্‌যাপনে শামিল হয়েছিলেন এলাকার মানুষ। ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছিলেন সস্ত্রীক মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারও। বিষ্ণুপুর বসন্ত সমারোহ অনুষ্ঠানে বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য রঙ মেখে কীর্তনে অংশ নেন।

কোচবিহারে দোলের প্রভাতফেরিতে অংশ নেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। এলাকার মানুষদের সঙ্গে রঙ খেললেন স্বাস্থ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দোল এবং হোলি— দু’‌দিনই উত্তর হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় প্রভাতফেরিতে অংশ নিলেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। জানালেন, বাংলায় রঙের উৎসব দু’‌দিন ধরে চলে।

বাম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী নিজের বাড়িতে শিশুদের সঙ্গে রঙ খেললেন। হোলির দিন সল্টলেকের বিএফ পার্কে বসন্ত উৎসবে বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র সব্যসাচী দত্ত এবং বিধায়ক সুজিত বসুকে রঙ খেলতে দেখা গেল। একে অপরকে রঙ মাখাতেও দেখা গেল। রঙের উৎসবে জনসংযোগ বাড়াতে নেতা–মন্ত্রীরাই শুধু নন, কাউন্সিলররাও নিজের নিজের এলাকায় রঙ খেলায় মাতলেন। ছিল মিষ্টি খাওয়ার আয়োজন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top