রজত বসু:‌‌ টালিগঞ্জ অগ্রগামী থেকে উত্থান। তারপর মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল সহ আইএসএলও খেলেছেন তিনি। দীর্ঘদিন খেলেছেন লাল–হলুদে। একাধিক খেতাব জিতেছেন। জাতীয় দলের জার্সিতেও খেলেছেন দাপিয়ে। মোহনবাগান থেকে নিয়েছেন অবসর। ‘‌আজকাল ডিজিটাল’‌ এ আজ মেহতাব হোসেনের পুজো নিয়ে পরিকল্পনার কথা বলব।
ফোন করতেই মেহতাবের গলায় আশঙ্কা, ‘‌দুই সন্তান রয়েছে। সুস্থ থাকলে আরও অনেক পুজো আসবে। ঠাকুর দেখা হবে। কিন্তু এবার ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা বাদই দিলাম। স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে কলকাতার বাড়িতেই থাকব। ঘরেই হইহুল্লোড়, খাওয়াদাওয়া হবে।’‌ 
এরপরেই মেহতাবের গলায় কেরল প্রসঙ্গ। বলে দিলেন, ‘‌কেরলে একসময় সংক্রমণ সবচেয়ে কম ছিল। কিন্তু ওনাম এর পর সংক্রমণ বহুগুণ বেড়ে গেছে। কারফিউ জারি হয়ে গেছে। আমি তো ভাবছি দুর্গাপুজোর পর বাংলাতেও না সংক্রমণ এভাবে বেড়ে যায়। সাবধানে থাকা ছাড়া গতি নেই। আর সেক্ষেত্রে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হচ্ছে বাড়ি।’‌ এরপরই জুড়ে দিলেন, ‘‌এই বছরটা সাবধানে চলতে পারলে আর ভয় নেই। তাই যারা পুজোয় বেরোবেন, সবাই সচেতন থাকুন। যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মানুন। সুস্থ থাকুন। অন্যকে সুস্থ রাখুন।’‌ 
ময়দানের প্রাক্তন ফুটবলার এরপরই ঢুকলেন ফুটবল আলোচনায়। লাল–হলুদের আইএসএল প্রসঙ্গ উঠতেই বলে দিলেন, ‘‌বিদেশি সহ দলটা বেশ ভাল। তবে বাকি দলগুলি এতদিনে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে। সেখানে একটু পিছিয়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। একা অনুশীলন আর দলের সঙ্গে অনুশীলনের মধ্যে অনেক তফাত। তবে স্পনসর ও কর্তারা চেষ্টা করেছেন আন্তরিকভাবে। তবে প্রথমবারই খুব ভাল ফল আশা না করাই হয়ত ভাল।’‌ কোচ ফাওলারকে নিয়ে অবশ্য এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি নন তিনি। বলে দিলেন, ‘‌ফুটবলার হিসেবে ছিলেন লিজেন্ড। তবে ওনার কোচিং তো দেখিনি। না দেখলে বলা মুশকিল। আগে কোচিং দেখি, তারপর না হয় মন্তব্য করব।’‌ 

স্ত্রী–সন্তানদের সঙ্গে মেহতাব। 

জনপ্রিয়

Back To Top