গৌতম চক্রবর্তী: নামী গাড়ি কোম্পানির সার্ভিস সেন্টারে আগুন লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হল ৩০টিরও বেশি গাড়ি। র‌্যাম্পে থাকা ৯টি গাড়ি নামাতে না পারায় সেগুলি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে বাকি গাড়িগুলির। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহর সংলগ্ন নরেন্দ্রপুর থানার জগতিপোতায় মারুতি–সুজুকির সার্ভিস সেন্টার ‘‌ওয়ান অটো’‌র ঘটনা।
মুকুন্দপুরের কিসান মার্কেটের পাশে প্রায় ২ বিঘে জমির ওপর তৈরি এই সার্ভিস সেন্টারে এদিন সকালে একবার আগুনের ফুলকি দেখা যায়। আগুন লাগে দুপুর পৌনে ৩টে নাগাদ। মোবিল–সহ বিভিন্ন রাসায়নিক ও দাহ্যপদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তার তীব্রতায় বিকট শব্দে ফেটে ওঠে অ্যাসবেসটস ও সিলিন্ডার। এলাকা ছেয়ে যায় কালো ধোঁয়ায়। প্রথমে কর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষীরাই আগুন নেভানো শুরু করেন। দ্রুত গাড়িগুলি বের করে নিয়ে যেতে হাত লাগান স্থানীয় যুবকেরাও। দু’‌দফায় পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আসে কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ঘণ্টা দেড়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
পৌঁছে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। শুটিং ছেড়ে সল্টলেক থেকে চলে আসেন যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীও। দমকলমন্ত্রী বলেন, ‘‌দমকলকর্মীদের তৎপরতায় এবং আধুনিক ফোম ব্যবহার করে খুব কম সময়েই ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে।’‌ মিমি বলেন, ‘‌যাঁদের গাড়ির ক্ষতি হল তাঁদের কোনও সাহায্য করা যায় কি না তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে চিন্তাভাবনা করব।’ যদিও এদিন কয়েকজন গাড়ির মালিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।‌ সার্ভিস সেন্টারের ম্যানেজারের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের জেরে প্রায় ৩০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্ষতি হয়েছে। সেখানে অনেকগুলি নতুন গাড়িও ছিল। 

ভস্মীভূত গাড়ি। আনন্দপুরে মারুতি সার্ভিস সেন্টারে। বৃহস্পতিবার। ছবি: বিজয় সেনগুপ্ত 

জনপ্রিয়

Back To Top