আজকালের প্রতিবেদন- মাধ্যমিকের প্রথম দিনের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে হলেও, কয়েকটি স্কুলে ঘড়ি পরে পড়ুয়াদের ঢুকতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ ছড়াল। কলকাতার বেথুন–‌সহ কয়েকটি স্কুলে ঘড়ি পরে পরীক্ষার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি পরে ঢোকার অনুমতি নেই। তবে অ্যানালগ ঘড়ি নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। এই ঘড়ি পরে পরীক্ষা দিতে পারবে পড়ুয়ারা। 
টেস্টের পর মাধ্যমিকের প্রস্তুতির সময় ঘড়ি ধরেই উত্তর লেখার অভ্যাস করে পরীক্ষার্থীরা। যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ করা যায়। বেথুন–‌সহ কলকাতার কয়েকটি স্কুলে পড়ুয়াদের ঘড়ি পরে পরীক্ষা হলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। গ্রাম এবং মফস্‌সলের কিছু স্কুলেও একই ঘটনা ঘটে। এর ফলে সমস্যায় পড়ে পরীক্ষার্থীরা। ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। তাঁদের বক্তব্য, সব ক্লাসে তো ঘড়ি নেই। ছাত্রীরা সময় দেখবে কীভাবে?‌ কোনও বছর ঘড়ি নিয়ে কড়াকড়ি করা হয় না। এ বছর কেন হল, আগে থেকে পর্ষদ কেন জানায়নি, সে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। অ্যানালগ ঘড়ি নিয়েও পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। মোবাইল, ক্যালকুলেটর এবং কোনও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে ঢোকা যাবে না— এমনই নির্দেশ রয়েছে পর্ষদের। সেখানে আলাদা করে ঘড়ির কথা উল্লেখ করা নেই। সেই কারণেই সমস্যা। সোমবার পর্ষদ সভাপতি বলেন, ‘‌যে কোনও ধরনের বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ। এখন ইলেকট্রনিক্স ঘড়িটা স্মার্ট ফোন কিনা সেটা বোঝার উপায় নেই। তাছাড়া এই ধরনের ঘড়ি বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের মধ্যেই পড়ছে। তাই ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তবে অ্যানালগ ঘড়ি নিয়ে কোনও সমস্যা নেই।’‌ 
এদিন ছিল প্রথম ভাষার পরীক্ষা। হিন্দিতে ৫ করে দুটি মোট ১০ নম্বরের প্রশ্ন পাঠ্যক্রমের বাইরে থেকে আসার অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণময়বাবু বলেন, ‘‌আমার কাছেও অভিযোগ এসেছে। পরীক্ষার পর বিষয়টি পরীক্ষা সংক্রান্ত কমিটির কাছে পাঠানো হবে। কমিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’‌ হিন্দিতে ৫০ হাজারের মতো পরীক্ষার্থী রয়েছে। আজ, মঙ্গলবার রয়েছে ইংরেজি–‌সহ দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top