আজকালের প্রতিবেদন: আজ কলকাতায় সম্প্রীতি, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে মানবতার মিছিল। বামফ্রন্ট–সহ ১৭টি সহযোগী দলের ডাকে মহামিছিল হবে মহাজাতি সদন থেকে। বামফ্রন্টের শরিক দলগুলি জানিয়েছে, তাদের সমস্ত গণসংগঠন ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এই মহামিছিলে অংশ নেবে। বুধবার সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম সাংবাদিকদের জানান, গোটা ভারতবর্ষে যেখানে যেখানে এই বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে শ্রমিক, কৃষক, দলিতরা লড়াই করছেন সর্বত্রই সক্রিয় বামপন্থীরা। শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে বক্তৃতা করলেই হয় না। বামপন্থীরাই হল আরএসএস–বিজেপির হিন্দুত্ব লাইনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য শক্তি। তিনি বলেন, এবার ৬ আগস্ট বাবরি মসজিদ ভাঙার কালো দিনটি আরও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ সেদিন যারা মসজিদ ভেঙেছিল, তারাই এখন ক্ষমতার শীর্ষে। ভোটের পালে হাওয়া নেই বুঝে ফের রথযাত্রা করে বিভেদ ও মেরুকরণের পথ নিচ্ছে। মানুষের ঐক্যকে রাস্তায় নামানো ছাড়া বিকল্প নেই। তাই এই মহামিছিলের ডাক দিয়েছি। এদিন এসএফআই, ডিওয়াইএফআই–সহ ১২টি বাম ছাত্র ও যুব সংগঠনের পক্ষে সায়নদীপ মিত্র ও সৃজন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, মহামিছিলে তাঁরাও ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেবেন। এদিন সাংবাদিক–সম্মেলন করে তাঁরা জানিয়েছেন, ২২ জানুয়ারি কলকাতায় আরএসএস– বিজেপির এই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে কনভেনশনের কর্মসূচি নিয়েছে এই ১২টি ছাত্র–যুব সংগঠন। আর এ রাজ্যে রথযাত্রার রাজনীতির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছে। ঠিক হয়েছে রথযাত্রার নামে এই দাঙ্গা যাত্রা যে পথ দিয়ে যাবে, সেখানেই ছাত্র–যুবরা স্ট্রিট কর্নার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রক্তদানের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিবাদ জানাবেন। ৮, ৯ জানুয়ারি শ্রমিকরা যে সারা ভারত সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন, তাতেও রাস্তায় নেমে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই ১২টি সংগঠন।

জনপ্রিয়

Back To Top