কাকলি মুখোপাধ্যায়: পুর কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আনতে এবার ই–অফিস পদ্ধতি চালু করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। ফাইলের ওপর নজরদারি চালাতে ইতিমধ্যে পুরসভা ই–ফাইল ট্র‌্যাকিং পদ্ধতি শুরু করেছে। ফাইল ট্র‌্যাকিংয়ের জন্য প্রতি দপ্তরের সমস্ত নথি, প্রস্তাব, বিল, প্রস্তাবিত কাজের বিস্তারিত তথ্য সেভাবেই নথিভুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।  ই–অফিস ও ই–ফাইল ট্র‌্যাকিং পদ্ধতি কার্যকর করতে পুরসভার আইটি বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরসভার একাংশের কথায়, সরকারি দপ্তর সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা ১৮ মাসে বছর। সেই ধারণার পরিবর্তন হতে চলেছে। পুরমন্ত্রী ও কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম দায়িত্ব নেওয়ার পরই পুর কাজে গতি আনার ওপর জোর দেন। প্রতি দপ্তরে কাজের ওপর নজর রাখতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এক দপ্তর থেকে আর এক দপ্তরে ফাইল ঢোকা–বেরনোর সময়ে দিনক্ষণ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়। এবার ই–অফিস ব্যবস্থায় প্রতিটি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে কাজ করবে পুরসভা। ইতিমধ্যে কেইআইপি ই–অফিস পদ্ধতিতে কাজ শুরু করেছে। এবার কলকাতা পুরসভাও কাজের স্বচ্ছতা এবং গতি আনতে এই উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রতিটি দপ্তরে ফাইলিং ব্যবস্থায় নজর রাখতে ই–ফাইল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক একটা ফাইল তৈরির সময় থেকে ঢোকা বেরনো সব তথ্যই নথিভুক্ত থাকছে। অনলাইনে প্রতিটি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। ফাইল তৈরির সময়েই তা শেষ করার মোটামুটি একটা সময় বজায় রেখে কাজ করতে হবে। যেহেতু এখন পুরোটাই অনলাইনে চলবে তাই দপ্তরের পদস্থ আধিকারিক থেকে পুর প্রশাসন, সকলেরই নজরে থাকবে। পুর অফিসারের কথায়, এতে কোথাও কোনও সমস্যা তৈরি হলেও তার দ্রুত সমাধানের কাজও সহজ হবে। কাগজপত্র, টাকা–পয়সা লেনদেন, বিল সব কিছুই অনলাইনে থাকায় নাগরিকদেরও আর কোনও কাজ নিয়ে হেনস্থা হতে হবে না। ‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top