আজকালের প্রতিবেদন
সিঁদূরখেলা, মিষ্টিমুখ, শুভেচ্ছা বিনিময়।উৎসব শেষ হয়েও শেষ হল না যেন! রেশ রয়েছে এখনও।মঙ্গলবার সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়। এই ভিড় সিঁদূর খেলার, দেবীকে আবার আসার আহ্বান জানানোর জন্য। মন খারাপ হলেও বিদায় দিতে হবে। এবার চলে যাওয়ার পালা। নিরঞ্জন উপলক্ষে গঙ্গার ঘাটেঘাটে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
এদিন মূলত বাড়ির প্রতিমার নিরঞ্জন করা হয়। তবে অনেকগুলি বারোয়ারি পুজোর নিরঞ্জনও সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিয়েছিল পুলিশ–প্রশাসন। ঘাটেঘাটে ছিল কলকাতা পুলিশ, কলকাতা পুরসভা, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। গঙ্গার ঘাটে অতিরিক্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বিকেলে বাজে গদমতলা ঘাটে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান রাজ্যের পুরও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। গঙ্গাদূষণ রুখতে তৎপর ছিল কলকাতা পুরসভা। ঘাটের কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় ফুল, মালা ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবং ক্রমাগত ঘোষণা করা হচ্ছিল কেউ যেন ফুল, মালা নদীতে না ফেলেন। এর পাশাপাশি প্রতিমা গঙ্গার জলে ফেলার সঙ্গেসঙ্গেই তা তুলে ফেলা হচ্ছিল। এবং পরে সেগুলি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ কাজের জন্য রাখা হয়েছিল ক্রেন, বার্জ। নদীতে ছিল পুলিশি টহলদারিও। বিসর্জনের জন্য কলকাতার বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। যানজট কমানোর জন্য বেশকিছু জায়গায় গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।বন্ধ ছিল চক্ররেল, লঞ্চ পরিষেবা।
তবে দুপুর থেকে রাস্তায় ছিল মানুষের ভিড়। অনেক পুজোর বিসর্জন হয়নি। তাই তাঁরা সেখানে হাজির হয়েছেন। সন্ধের দিকে বৃষ্টি সামান্য সমস্যা তৈরি করেছিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা গিয়েছে নির্বিঘ্নেই চলছে নিরঞ্জন।
 

জনপ্রিয়

Back To Top