আজকালের প্রতিবেদন
সম্পত্তি করের পরিমাণ, মিউটেশন, বকেয়া করের পরিমাণ এখন সবই জানা যাবে কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইটে। পুরসভার ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাসেসমেন্ট নম্বর কিংবা বাড়ির ঠিকানা দিয়ে ক্লিক করলেই জানতে পারা যাবে মিউটেশন–সহ সম্পত্তি কর সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য। শনিবার কর মূল্যায়ন ও সংগ্রহ দপ্তরের অনলাইন পরিষেবার উদ্বোধন করে এ কথা জানান পুরসভার প্রধান প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। উদ্বোধনের পরেই নিজের বাড়ির ঠিকানা দিয়ে পুরসভার প্রধান প্রশাসক জেনে নিলেন তাঁর সম্পত্তি কর সম্পর্কিত তথ্য। ফিরহাদ হাকিম জানালেন, অনলাইনে এবার বাড়িতে বসেই নাগরিকেরা নিজেদের কর সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন। এমনকী নতুন জমি–বাড়ি কেনার আগে সেই জমির চরিত্রও জানতে পারা যাবে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, না জেনে পুকুর বোজানো জমি কিনে ফেলেছেন। এবার বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আবার কেউ বাড়ি কিনেছেন, জানতেনই না যে, বাড়ির কর বকেয়া রয়ে গেছে। এ সব অভিযোগের জবাব মিলবে পুরসভার ওয়েবসাইটে। নতুন সম্পত্তি কেনার আগে সেই সম্পত্তি সংক্রান্ত সব কিছু দেখেশুনে নিতে পারবেন। পুরসভার ওয়েবসাইটে গিয়ে এক ক্লিকেই সব তথ্য হাতের মধ্যে। গত শনিবার ‘‌টক টু কলকাতা কর্পোরেশন’‌ অনুষ্ঠানে আসা একাধিক অভিযোগের পর পুর কমিশনার বিনোদ কুমারকে অনলাইন পরিষেবা ব্যবস্থার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুর কমিশনার অনলাইন পরিষেবা তৈরি করে ফেলেছেন। এদিনও ‘‌টক টু কলকাতা কর্পোরেশন’‌ অনুষ্ঠানে সম্পত্তি কর মূল্যায়ন ও মিউটেশনের সমস্যা নিয়ে ফোন আসে পুরসভার প্রধান প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের কাছে। সম্পত্তি কর মূল্যায়ন নিয়ে জটিলতার জেরে কর দিতে না পারার অভিযোগও আসে। পুর কমিশনারকে এই সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন পুরসভার প্রধান প্রশাসক। এই সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বর দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন ফিরহাদ হাকিম। যেখান সম্পত্তি কর মূল্যায়নের আবেদন জানাতে পারবেন বাসিন্দারা। এ ছাড়া অনলাইনে এই পরিষেবা দেওয়ারও ভাবনাচিন্তা রয়েছে পুর কর্তৃপক্ষের। ফোনে অভিযোগ জানিয়ে পরিষেবা পেয়ে প্রধান প্রশাসককে ধন্যবাদ জানাতে একাধিক ফোন আসে এদিনের অনুষ্ঠানে।
যান্ত্রিক গোলযোগের জন্য শনিবার ‘‌টক টু কলকাতা কর্পোরেশন’‌ অনুষ্ঠান ১ ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়। দুপুর ৩টের পরিবর্তে বিকেল ৪টেতে শুরু এই অনুষ্ঠান। ৪টে থেকে ৫টা পর্যন্ত চলে। তবে সময়ের পরিবর্তনের জন্য ফোনের ভিড় কিছু কম ছিল না। নিজেদের অভাব–অভিযোগ সরাসরি পুরসভা প্রধান প্রশাসককে জানাতে অপেক্ষায় ছিলেন শহরবাসী।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top