আজকালের প্রতিবেদন: বিবাহ–‌বহির্ভূত সম্পর্ক জেনে ফেলেছিল স্ত্রী। তাই তাঁকে মুখে বালতি মেরে খুন করেন স্বামী। ঘটনাটি দেখে ফেলেছিলেন বাবা। তাই তাঁকেও একই কায়দায় খুন করে ছেলে। তারপর পুলিশে খবর দেন। চায়না টাউনে জোড়া খুন ঘিরে রহস্য দানা বেঁধে উঠেছিল। তবে শেষ রক্ষা হল না। কথাবার্তার অসঙ্গতিই ধরিয়ে দিল লি ওয়ান সং–কে।
শুক্রবার সন্ধেয় লি কা সং (৯০) এবং পুত্রবধূ লি হাউ মেইহা (৬০)–কে চায়না টাউনে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দু’জনকে মাথায় ও মুখে অ্যালুমিনিয়মের বালতি দিয়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। সেই সময় পুলিশকে লি কা সং–এর ছেলে লি ওয়ান সং জানান, তিনি বাড়ি ফিরে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। ডাকাডাকি করে কেউ দরজা না খোলায় মই লাগিয়ে পাঁচিল টপকে ভেতরে ঢুকে বাবা ও স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খুন এ বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত হলেও কেন করা হল তা স্পষ্ট হচ্ছিল না। লি ওয়ান সং বারে বারে তাঁর বক্তব্য বদলাতে থাকেন। বিস্তর অসঙ্গতি মেলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। 
পুলিশের দাবি, চায়না টাউন এলাকায় বিবাহ–‌বহির্ভূত একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। স্ত্রী জেনে গিয়েছিলেন। এ নিয়ে প্রায়ই তাঁদের মধ্যে অশান্তি হত। শুক্রবার তা চরমে ওঠে। রাগের মাথায় স্ত্রীকে বালতি দিয়ে পিটিয়ে খুন করেন। তা দেখে ফেলেন তাঁর বাবা। তাই সাক্ষী লোপাটে বাবাকেও একই ভাবে খুন করেন। তার পর বাড়ির বাইরে চলে যান। বেশ কিছুক্ষণ বাদে ফিরে আসেন। এরপর নিজেকে নিরপরাধ প্রমাণের চেষ্টায় পুলিশে খবর দেন। ধৃতকে শনিবার শিয়ালদা আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top