আজকালের প্রতিবেদন: হাইকোর্টের চাকরি দেওয়ার বড় প্রতারণা চক্রের ৮ জনকে ধরল কলকাতা পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে মূল পান্ডা অনন্ত পাল  করোনায় আক্রান্ত। ৫ জন জেল হেফাজতে, ৩ জন পুলিশ হেফাজতে। 
এদের কাজ শুরু হয়েছিল ৬ জুলাই থেকে। সেদিন কলকাতা হাইকোর্টের করিডরে আলমগির মণ্ডল ঘোরাফেরা করছিলেন। সন্দেহ হয় সরকারি আইনজীবীর। তিনি বুঝতে পারেন, আলমগির প্রতারিত হয়েছেন। ধরা পড়ে প্রীতম হাতি, যে আদালতে রেজিস্ট্রার সেজেছিল। জানা যায়, হাইকোর্টে চাকরি দেওয়ার নাম করে মোট সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রীতমকে জেরা করে তার কেষ্টপুরের কমলা পার্কের বাড়ি থেকে বহু কাগজপত্র পাওয়া যায়। তদন্ত শুরু করে লালবাজারের প্রতারণা দমন শাখা।
নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে এরা জাল বিছিয়েছিল। প্রীতম এবং প্রসেনজিতের কাজ ছিল চাকরিপ্রার্থী ধরা। প্রীতম হাতি, খোকন ঘোষ ল’‌ক্লার্ক সাজত। টাকা নিয়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিত। তদন্তে আলিপুর থেকে বেলেঘাটার বাসিন্দা প্রদীপ রায়,নদিয়ার দেবগ্রাম থেকে খোকন ঘোষকে ধরা হয়। নদিয়ারই ব্যবসায়ী রতন সিংহকে জেরা করে বর্ধমানের সায়ন বসুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধরা হয় অনন্ত পালকে। 

জনপ্রিয়

Back To Top