আজকালের প্রতিবেদন: সেরা দশে ৫১ জনের নাম। তার মধ্যে মাত্র একজন কলকাতার। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পরই শুরু হয়েছে চর্চা। খামতি কোথায়?‌ জেলার পড়ুয়াদের তুলনায় অনেক বেশি সুযোগ–সুবিধা পাওয়া সত্ত্বেও কেন মেধা–তালিকায় দেখা যাচ্ছে না কলকাতার স্কুলের পড়ুয়াদের?‌ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলিতে পড়ানোর ঝোঁকের পাশাপাশি কলকাতার স্কুলগুলিতে নিরবচ্ছিন্ন সার্বিক মূল্যায়ন পদ্ধতির প্রয়োগের ক্ষেত্রে খামতিও অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে। সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার বলেন, ‘‌কলকাতা স্কুলগুলিতে নিরবচ্ছিন্ন সার্বিক মূল্যায়ন পদ্ধতি ঠিকমতো অনুসরণ করা হচ্ছে না। এ নিয়ে আমরা শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আশা করছি ভবিষ্যতে ছবিটা পাল্টাবে।’‌ কয়েক বছর ধরেই মাধ্যমিকে কার্যত নেই কলকাতা। গত বছর ২ জন ছিল। এ বছর ১। এটা নিয়ে ‘‌গেল গেল’‌ রব না তুলে শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, জেলার পড়ুয়ারা ভাল ফল করছে মানে এটা নয় যে, কলকাতার পড়ুয়াদের মান কমছে। আরেক অংশের বক্তব্য, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ানোর আগ্রহই একমাত্র কারণ। এই কারণে সর্বভারতীয় বোর্ডের পরীক্ষায় কলকাতার ছেলেমেয়েরা দেশের সেরা হচ্ছে। এ বছরের মেধা–তালিকায় স্থান পাওয়া কলকাতার সোহম দাস যাদবপুর বিদ্যাপীঠের ছাত্র। এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিমল ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌কলকাতায় সুযোগ রয়েছে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর। ভাল ছেলেমেয়েরা সেখানে চলে যাচ্ছে। জেলায় সে সুযোগ নেই।’‌ তবে তাঁর মতে, মেধা–তালিকার পরিধি বাড়ালে কলকাতার পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়বে। অনেকেই ১, ২ নম্বরের জন্য ছিটকে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, ‘‌অন্য বোর্ডমুখী হওয়ার কারণেই এটা হচ্ছে। আমরা এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি।’‌ ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top