আজকালের প্রতিবেদন‌: ‌পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন এবং পরবর্তী সময়ে নানা রকম অশান্তি, জীবনহানি, সরকারি–বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বেশ কয়েকটি জনস্বার্থ মামলা দাখিল হচ্ছে কলকাতা হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জির ডিভিশন বেঞ্চে এই প্রসঙ্গটি সোমবার তুলে ধরেছিলেন আইনজীবী সুপ্রতীক ব্যানার্জি। মঙ্গলবার সিপিএমের পক্ষে মহম্মদ শামিম প্রসঙ্গটি ফের তোলেন। কংগ্রেস, পিডিএস ও বিজেপি–‌র পক্ষ থেকেও একই বিষয় তুলে ধরা হয়। ভিডিও ক্লিপিং ও সংবাদপত্রের কাটিং দেখানো হয়। নির্বাচন চলাকালীন জীবনহানি হলে ক্ষতিপূরণ চেয়ে যিনি মামলা করেছিলেন, সেই আইনজীবী অনিন্দ্যসুন্দর দাসের পক্ষে আইনজীবী রবিশঙ্কর চ্যাটার্জিও ওই প্রসঙ্গ তোলেন আদালতে। হাইকোর্ট সবাইকেই নির্দিষ্ট আবেদন এবং অভিযোগের তথ্য–‌সহ মামলা দাখিল করতে বলেছে। ভোটের ঠিক আগে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছিল।  নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের কাছে ভোটে নিরাপত্তা সম্পর্কে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল। অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত তথ্য–‌সহ আদালতকে বলেছিলেন, প্রতি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। নির্বাচন কমিশন আদালতকে বলেছিল রাজ্য সরকার যে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট। সোম ও মঙ্গলবার আদালতে বিভিন্ন আবেদনকারী বলেছেন, ‘‌কমিশন ও রাজ্য সরকার হাইকোর্টে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি।’‌ নির্বাচন কমিশন কিন্তু এখনও পর্যন্ত জীবনহানি ও সম্পত্তিহানির ব্যাপারে যা বলেছে, তা ২০১৩ সালের তুলনায় বেশি নয়।‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top