আজকালের প্রতিবেদন: কালীঘাট মন্দিরের স্কাইওয়াক তৈরির প্রস্তুতি শুরু। বুধবার কালীঘাট মন্দিরের সৌন্দর্যায়ন ও স্কাইওয়াক নির্মাণ নিয়ে প্রাথমিক বৈঠক করেন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। বৈঠকে ছিলেন পুর কমিশনার খলিল আহমেদ, মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, ভবানীপুর,কালীঘাট ও টালিগঞ্জ থানার পুলিস আধিকারিকেরা। ছিলেন রাইটসের প্রতিনিধিরাও। এদিন তারা স্কাইওয়াকের একটি নমুনা দেখান। বৈঠকে স্কাইওয়াক ওঠা–নামার পথে হকার সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে নামার পথে একটা সমস্যা তৈরি হয়। তাই ৮৩ হকারকে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা আছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিস, কলকাতা পুরসভা এবং রাইটসের কর্তারা এলাকা  ঘুরে দেখেছেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড থেকে কালী টেম্পল রোড হয়ে মন্দিরের সামনে স্কাইওয়াক নামবে। সেইমতো নকশা তৈরি হয়েছে। ৪৫০ মিটার লম্বা স্কাইওয়াকটি তৈরি করতে খরচ পড়বে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। প্রায় সাড়ে ১০ মিটার চওড়া হবে। স্কাইওয়াকে ওঠা–নামার জন্য দুদিকে তিনজোড়া এসক্যালেটর, তিনজোড়া সিঁড়ি থাকবে।
এদিকে, বকেয়া সম্পত্তি কর আদায়ে ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতিকে আরও সরলীকরণের প্রস্তাব দিয়েছেন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। বুধবার কর মূল্যায়ন ও সংগ্রহ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ এ খবর জানান। তিনি বলেন, কর আদায় নিয়ে দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর মহানাগরিককে রিপোর্ট করেছি। তাতে তিনি বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মধ্যে রয়েছে ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি সরল করতে হবে। মানু্ষ যাতে সেলফ অ্যাসেসমেন্টের সুবিধা পেতে পারেন। বাণিজ্যিক করের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবের কথা মাথায় রেখে দেশের ৪টি মেট্রো সিটির কর পদ্ধতির ওপর নজর রাখার পরামর্শ। সেখান থেকে যদি কোনও বিকল্প পথ পাওয়া যায়। বহুতল আবাসনের যাঁদের এখনও মিউটেশন হয়নি, তাঁদেরকে করের আওতায় আনতে হবে। এর জন্য সেখানকার জনপ্রতিনিধিদের সাহায্যে এরকম আবাসনবাসীদের সঙ্গে আলাপ–আলোচনা করতে হবে। প্রয়োজনে বরোভিত্তিক, আবাসনভিত্তিক শিবির করে করের আওতায় আনতে হবে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top