Kailash Vijayvargiya: গ্রেপ্তার হতে পারেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়? 

শ্রাবণী গুপ্ত:‌ নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল কলকাতায়। অষ্টমীতে পুজোর মধ্যে বন্ধ হাইকোর্টে গৃহীত হল মামলা। শুনানিও হবে কাল। প্রশ্ন সেখানেই। কী এমন হল যে, সপ্তমীর দিন ৩ বিজেপি নেতা দৌড়ে গেলেন কলকাতা হাইকোর্টে? সদ্য দায়িত্ব নেওয়া প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের দ্বারস্থ হন তাঁরা। পুজোর ব্যস্ততায় কার্যত মানুষের নজর এড়িয়ে মঙ্গলবার কৈলাস বিজয়বর্গীয়, প্রদীপ যোশী ও জিষ্ণু বসু ছুটে যান কোর্টে। আগাম জামিনের আবেদন জানাতে। কিন্তু গেরুয়া শিবির থেকে উঠল না কোনও রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ!
             জানা যাচ্ছে, যৌন হেনস্থা সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে কৈলাস ও বাকি দুই নেতার বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসের ঘটনা। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়। নাম জড়িয়েছে ৩ বিজেপি নেতার। এর মধ্যে প্রদীপ যোশী ও জিষ্ণু বসু মূলত আরএসএস নেতা। তবে সঙ্ঘ পরিবারের তরফে ২১শের ভোটের আগে প্রদীপকে এই রাজ্যে পাঠানো হয় বিজেপির হয়ে কাজ করার জন্য। বঙ্গ বিজেপির এক প্রভাবশালী নেত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে নাম জড়ায় এই ৩ নেতার। শোনা যাচ্ছে, ওই নেত্রী নিজেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এই নেতাদের বিরুদ্ধে। এমনকি, সূত্রের খবর তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্বকেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন ওই নেত্রী। যে কারণে ভোট প্রচারের এক পর্বে মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন, ‘‌বিজেপির একাধিক নেতার বিরুদ্ধে মেয়ে ঘটিত কেস আছে।’‌ তখন রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে। 
হাইকোর্ট সূত্রে খবর, বিজেপি নেতাদের দ্রুত শুনানির আর্জি গ্রহণ করেছেন প্রধান বিচারপতি। অষ্টমীর সকালে এই আবেদন গৃহীত হয়েছে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি কৌশিক চন্দর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে কাল। প্রসঙ্গত, পুজোর ছুটির মধ্যে এরকমভাবে জরুরি ভিত্তিতে শুনানি কার্যত অবাক করেছে সকলকে। তবে গেরুয়া শিবিরের এই ৩ নেতার গ্রেপ্তারি এড়াতেই এহেন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দিনকয়েক আগেই প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে ‘‌অনুপস্থিত’‌ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে গেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই নিয়েও যথেষ্ট চর্চা হয়েছিল।