আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হাওড়া ব্রিজ!‌ কত স্মৃতিই না জড়িয়ে। বাংলা ও বাঙালির অহঙ্কার। অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। ১৯৪৩ এর ৩ ফেব্রুয়ারি। জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল ব্রিজটি। দেখতে দেখতে কেটে গেল ৭৫ বছর। কলকাতা পূর্ব ও পশ্চিমকে মেলানোর জন্যই তৈরি হয়েছিল হাওড়া ব্রিজ। 
অসাধারণ স্থাপত্যের নিদর্শন রয়েছে ব্রিজটিতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমাবর্ষণ থেকে বেঁচে গিয়েছিল হাওড়া ব্রিজ। দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বিশ্বের তৃতীয় ঝুলন্ত সেতু ছিল এটি। বর্তমানে ষষ্ঠ। চারিদিকে যখন একের পর এক ব্রিজ ভেঙে পড়েছে সেখানে ৭৫ বছর পেরিয়েও ‘‌চির যুবক’‌ তকমা ধরে রেখেছে হাওড়া ব্রিজ। জেনে নিন তাঁর সম্পর্কে পাঁচটি চমৎকার তথ্য। 
১.‌ বিশ্বাস করা কঠিন। কিন্তু এটাই বাস্তব। হুগলি নদীর উপরে ঝুলতে থাকা ব্রিজটিতে নেই একটিও নাটবল্টু। লোহাকে বেঁকিয়ে নাটবল্টুর মতো ব্যবহার করা হয়েছে। 
২.‌ হাওড়া ব্রিজ তৈরিতে লেগেছিল ২৬৫০০ টন লোহা। যার মধ্যে ২৩০০০ টন লোহাই এসেছিল টাটা স্টিল থেকে। 
৩.‌ হাওড়া ব্রিজে নেই কোনও পিলার। দুই মাথায় শুধু সাপোর্ট রয়েছে। একেবারে ঝুলন্ত ব্রিজ। 
৪.‌ পোর্ট ট্রাস্টের ইঞ্জিনিয়ার জে ম্যাকগ্লাসান চেয়েছিলেন হাওড়া ব্রিজকে ভাসমান ব্রিজে পরিণত করতে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। 
৫.‌ প্রতিদিন অন্তত ১ লক্ষ গাড়ি যাতায়াত করে হাওড়া ব্রিজের উপর দিয়ে। অন্তত দেড় লক্ষ নিত্যযাত্রী তো রয়েছেই। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ঝুলন্ত ব্রিজ। নোবেলজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানিয়ে ১৯৬৫ সালের ১৪ জুন এই ব্রিজের নাম বদলে হয় রবীন্দ্র সেতু। যদিও পরিচিত হাওড়া ব্রিজ নামেই। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top