অদিতি রায়: আকাশে পলাশের রং, বাতাসে আবিরের গন্ধ— এমনই অবকাশে আজকাল ডট ইন আয়োজন করল এক রঙিন আড্ডার। ৬ বালিগঞ্জ প্লেসের আতিথেয়তায় কথোপকথন জমে উঠল গানে, গল্পে।
অভিনেত্রী ঈশা সাহা, সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তী, তীর্থ, গীতিকার প্রসেন এবং ঋতমের আলাপচারিতায় বারবার ফিরে এল শৈশব, বসন্ত উৎসব, আবির আর বাঁদুরে রঙের স্মৃতি। তার সঙ্গেই চলল ঠান্ডা পানীয়ে চুমুক। রঙের উৎসবে গান হবে না তাই কি হয়?‌ তার ওপর সঙ্গীতের সাধকেরাই তো জড়ো হয়েছেন আড্ডায়।অতএব ধুম উঠল সুরের। তীর্থর দামাল কণ্ঠের লোকগান, লগ্নজিতার মিহি গলায় বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। সঙ্গে চলল প্রসেনের গিটারের মূর্ছনা। এ–‌সবেরই ফাঁকে ফাঁকে ঈশা আবিরে রাঙিয়ে দিতে লাগলেন বন্ধুদের।দোলের দিন কে কী দুষ্টুমি করতেন দিলখোলা আড্ডায় সেই স্বীকারোক্তিও শোনা গেল। তারই মাঝে মাঝে চলছে ‘‌বসন্ত এসে গেছে’‌ বা ‘‌তোমাকে বুঝি না প্রিয়’‌। তবে রঙের উৎসবে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি থাকবে না তা কী করে হয়?‌ উপস্থিত সকলে যখন গলা ছেড়ে ‘‌ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায়’‌ ধরলেন, তখন সত্যিই মনে হল ‘‌সোহাগিনীর হৃদয়তলে বিরহিণীর মনে মনে/লাগিল দোল জলে স্থলে।’‌এরপর এল পেটপুজোর ডাক। শাকভাজা, সিমের দানা বাটা, মুগডাল, বেগুনভাজা, আলু–‌ফুলকপির তরকারি, গোল আলুর দম, লাল মুরগি, সরষে দিয়ে পার্শে, মাংসের ঝোল এবং শেষ পাতে বেকড মিহিদানা দিয়ে সাঙ্গ হল পেটপুজো। এত খেয়ে হাঁসফাঁস করতে করতে কোকাকোলায় চুমুক দিয়ে সবাই প্রতিজ্ঞা করলেন, আসছে বছর আবার হবে। ও হ্যঁা, সম্পূর্ণ আড্ডাটা যদি চাক্ষুষ করতে চান, তীর্থ, লগ্নজিতার গান যদি শুনতে চান, তা হলে নজর রাখুন আজকাল ফেসবুক পেজে, এক্ষুনি!‌

জনপ্রিয়

Back To Top