আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পাথুরিয়াঘাটার আদি ঘোষবাড়ি। ১৭৮২ সালে হুগলি থেকে কলকাতায় এসে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন রামলোচন ঘোষ। পরে ঠিক পাশেই আর একটি ঘোষ বাড়ি তৈরি হয়। যা খেলাৎ ঘোষের বাড়ি নামে পরিচিত। 
খেলাৎ ঘোষের বাড়িতেও পুজো হয়। সেই পুজোয় এসেছিলেন স্বয়ং ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেব। ঠিক উল্টোদিকের মল্লিক বাড়িতে ভাবসমাধি হয়েছিল ঠাকুরের। এই পাড়াকে ঘিরে শুধুই ইতিহাস।
২৪০ বছর আগের কথা। এই রামলোচনের পুজোতেই এসেছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস। সস্ত্রীক। তখন তিনি বাংলার গভর্নর। সেদিন আলোয় সেজে উঠেছিল পাথুরিয়াঘাটার ৪৬ নম্বর ঘোষ বাড়ি। ঢাকের আওয়াজে মেতেছিল এলাকা। সেই স্মৃতি আজও রয়েছে এই বাড়িতে।
আদি ঘোষ বাড়ির প্রতিমা সাবেকী ধাচের। ওষুরের রং এখানে সবুজ। আর সিংহের মুখ ঘোড়ার মতো। কারণ মনে করা হয়, মা দুর্গার সিংহের নাকি ঘোড়ার মতো গতি ছিল। তাই মুখের আদল এ রকম। পাশেই রাখা দুটো ছোট রথ। এখানেই ১৭৮৩ সালে এসেছিলেন হেস্টিংস। রোদ থাকায় তাঁর এবং স্ত্রীর মাথায় ছাতা ধরা হয়েছিল। শোনা যায়, রামলোচন নাকি হেস্টিংসের অধীনে চাকরি করার পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীকে বাংলা শেখাতেন। 
এ বাড়ির প্রতিমাকে ভোগে দেওয়া হয় ক্ষীরের কচুরি। দশমীতে তিনটি নৌকায় চাপিয়ে গঙ্গাবক্ষে নিরঞ্জন হয়। যা দেখতে বহু মানুষ জড়ো হন। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top